রোজা পালনে যে সকল মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তি মিলে

অনেকের ধারনা করতে পারেন রোজা থাকলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু এ ধারণা ভুল। বরং রোজা পালনে বেশ কিছু রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। রোজা তারুণ্যকে ধরে রাখে, ব্যায়ামের চেয়েও বেশি কাজ দেয় এবং সেই সঙ্গে কমায় ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্চ অ্যাটাকের ঝুঁকি।

গবেষণায় জানা গেছে, এসব তথ্য। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের ধারণা ছিল, কম ক্যালরি খেতে থাকলে মানুষ বোধহয় অসুস্থ হয়ে পড়বে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, নিয়মিত ভরপেট খাওয়ার চেয়ে মাঝে মাঝে না খেয়ে থাকাটা বরং সুস্বাস্থ্যের জন্যে বেশি সহায়ক।

বছর ‍দুয়েক আগে আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এজিং-এর নিউরোসায়েন্টিক ড. মার্ক ম্যাটসন ও তার সহকর্মীদের প্রকাশিত একটি গবেষণা-প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, মাঝে মাঝে না খেয়ে থাকলে মাস্তিষ্কের বয়স জনিত রোগ

যেমন: আলঝেইমার, হান্টিংটন, পার্কিনসন্স ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তারা বলেন, উপবাসের ফলে দেহে এমন কিছু প্রোটিন উৎপন্ন হয়, যা মস্তিষ্কের কোষগুলোকে অক্সিডেশন জনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

উপরন্তু বাড়িয়ে দেয় স্নায়ু কোষের কার্যকারিতা। ফলে মস্তিষ্কের ক্ষয় হয় অনেক কম। রোজা রাখলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। ম্যাটসন বলেন, নিয়মিত খাওয়া দাওয়া মানে দেহ কোষগুলোতে ইনসুলিনের নিরন্তর সরবরাহ।

এভাবে চলতে থাকলে দেহ কোষগুলোর সক্রিয়তা ও কাজের প্রয়োজন কমতে থাকে। একসময় তৃপ্ত ও অলস এই দেহ কোষগুলো হয়ে উঠে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বা ইনসুলিন প্রতিরোধী। অর্থাৎ এদের ওপর ইনসুলিনের প্রভাব কমে আসে ধীরে ধীরে।

আর এটাই ডায়াবেটিসের লক্ষণ। কিন্তু মাঝে মাঝে কিংবা নিয়মিত বিরতিতে খাওয়া বন্ধ থাকলে শরীরের সর্বত্রই দেহকোষগুলো আরও ইনসুলিন সংবেদনশীল হয়ে উঠে, ইনসুলিনের প্রভাবে ভালোভাবে সাড়া দিতে পারে।

এবং বিপাক করতে পারে দক্ষভাবে। এর ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমার সঙ্গে সঙ্গে কমে উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও।

তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওজন হ্রাসের ক্ষেত্রে প্রতিদিনই কঠোরভাবে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণের চেয়েও অনেক ভালো ফল দিতে পারে যে অভ্যাসটি সেটি হলো, স্বাভাবিক খাওয়া দাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বিরতিতে নির্দিষ্ট সময়ের উপবাস।

আসলে শরীরের জন্যে কিছু সময়ের এই ক্ষুধা বোধের উপকারিতার মূল সূত্রিটি নিহিত রয়েছে আমাদের ডিএনএ-র মধ্যেই। প্রাচীনকালে আমাদের পূর্বপুরুষরা পশু শিকার করে খাবার যোগাড় করতো।

এভাবে একবেলা খাওয়ার পর পরবর্তী শিকার না পাওয়া পর্যন্ত বাধ্য হয়ে ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করতে হতো। আর এই ক্ষুধা–অনাহারের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে টিকে থাকার একটি সহজাত ক্ষমতা আমাদের দেহে সঞ্চারিত হয়েছে বিবর্তন-প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে।

কিন্তু আধুনিক মানুষকে তো খাবারের জন্যে না করতে হয় শিকার, না করতে হয় কোনো রকম অপেক্ষা। এখন ঘরে খাবার, ফ্রিজে খাবার, তা-ও না থাকলে হোটেল-রেস্তোরাঁ-দোকানপাট তো আছেই।

ফলে আনাহারের কষ্ট থেকে আমরা বেঁচেছি বটে, কিন্তু সঙ্গী করেছি অন্য ঝুঁকিকে। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কয়েক ঘণ্টা পর পর নিয়মিত খাওয়া দাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার মান দীর্ঘসময় ধরে উঁচু থাকে।

দেহে বিভিন্ন কাজের জন্যে দরকার নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালরি বা শক্তি আর সেই শক্তি উৎপাদনের জন্যে দৈনন্দিন খাবার থেকে প্রাপ্ত শর্করাকে বিপাক হতে হয়।

এই বিপাকের একটি উপজাত হলো অক্সিডেশন বা জারণ,যার ফলে দেহে সৃষ্টি হয় অস্থিতিশীল অক্সিজেন অণু। এবং এর সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক পরিণতি হলো-এটি বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, শরীরকে বুড়িয়ে দেয়।

ড. ম্যাটসন বলেছেন, উপবাস এই প্রক্রিয়াকেই পাল্টে দেয়। আনাহারের ফলে দেহে যে সাময়িক শক্তি-সংকট হয় তা মস্তিষ্কের কোষগুলোকে প্রোটিন উৎপাদনে উৎসাহ দেয়, যা উদ্বেগকর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার শক্তি যোগায়, এমনকি তখন নতুন ব্রেন সেল বা নিউরোনও জন্মাতে পারে।

আর পুরো দেহেই ইনসুলিন ছড়িয়ে পেড়ে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায়। এজন্যেই হয়তো বলা হয় যে, মানুষ না খেয়ে মরে না বরং কখনো কখনো অতি পুষ্টিই বিপদ ডেকে আনে। তাই নিজ নিজ ধর্মমতে রোজা বা উপবাস পালন করুন। আর ইফতারে খান পরিমিত ও সহজপাচ্য খাবার। আপনার সুস্থ কর্মময় দীর্ঘ জীবনের সম্ভাবনা তাতে বাড়বে।

সুত্র: হেলথ এন্ড নিউট্রিশন

“কাফের ও শয়তানি শক্তিগুলোর ষড়যন্ত্র ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে”

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, গত ৪০ বছরে পবিত্র কুরআনের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা এবং পাশ্চাত্যের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে তার দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

কাজেই বর্তমানেও কাফের ও শয়তানি শক্তিগুলোর মোকাবিলায় বিজয়ের একমাত্র উপায় তাদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলা। পবিত্র মাহে রমজানের শুরুতে সোমবার সন্ধ্যায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে সর্বোচ্চ নেতা এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে ইরানের বিশিষ্ট ক্বারীদের পাশাপাশি শিক্ষানবিশ ক্বারী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। একজন ক্বারীর তেলাওয়াতের সঙ্গে কুরআনের আয়াত মিলিয়ে দেখছেন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন,

বিশ্ব মানবতা বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোর জন্য এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন কুরআনের শিক্ষা উপলব্ধি করে তা দৈনন্দিন জীবনে বাস্তবায়ন করা। তিনি বলেন, এই কুরআনের শিক্ষা অনুযায়ী সাম্রাজ্যবাদী, কাফের ও শয়তানি শক্তিগুলোর ষড়যন্ত্র ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, মুসলিম বিশ্বের বর্তমান সমস্যা ও সংকটের প্রধান কারণ কুরআনে কারিমের শিক্ষা না জানা এবং সে অনুযায়ী আমল না করা।

তাঁর মতে, যারা রাজা-বাদশা কিংবা প্রেসিডেন্টের আসনে বসে জাতিগুলোকে ভয় দেখায় পবিত্র কুরআন তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি রুখে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। তাদের ওপর আস্থা রাখা যাবে না বলে কুরআনে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

একজন ক্বারীর সঙ্গে কথা বলছেন সর্বোচ্চ নেতা
আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী কয়েক বছর আগে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কিছু দেশে প্রচণ্ড গণআন্দোলন ও ইসলামি জাগরণের কথা স্মরণ করে বলেন,

ওই আন্দোলনের মর্যাদা উপলব্ধি না করা এবং আমেরিকার ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রতি নির্ভরতার কারণে সেই জাগরণ পুরোপুরি চুপসে গেছে।

কিন্তু ইরানি জনগণ পবিত্র কুরআনের শিক্ষা অনুসরণ করে নিজেদের ইসলামি বিপ্লবের মর্যাদা উপলব্ধি করে প্রথম থেকেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোকে বিশ্বাস না করে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

সুত্র: পার্সটুডে

অনুশীলনের ব্যস্ততার মাঝেই নামাজের মাহমুদুল্লাহর নামাজের দৃশ্য ভাইরাল

৩৩ বছর বয়সী তারকা এই ক্রিকেটারের নামাজ আদায়ের ভিডিওটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইন দুনিয়ায়। এতে সমর্থকদের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। কেউ কেউ বলছেন, ‘অনুশীলনের ব্যস্ততার মাঝেই নামাজের কথা ভুলে যাননি মাহমুদুল্লাহ। আবার অনেকে বলছেন, ‘মাহমুদুল্লাহ বাংলাদেশের গর্ব।’

দলের অনুশীলন চলছে। অন্যরা যে যার কাজে, আর জাতীয় দলের মিডল অর্ডারে অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ মাঠের সবুজ ঘুসকে জায়নামাজ বানিয়ে একাগ্রতার সঙ্গে নামাজ পড়ছেন।

কদিন আগেই, জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছিলেন, ‘আমাদের ক্রিকেট টিমে যারা আছে (মুসলিম), সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি এবং সবাই প্রায় ওমরাহ করে ফেলেছি।

শুধু তাই নয়। আমরা যখন বিদেশে থাকি তখন আমাদের ইমাম সাহেব থাকে মুশফিক কিংবা মাহমুদুল্লাহ। আমরা সবাই সেখানে জামাতে নামাজ আদায় করি। আমাদের বোর্ড থেকে একটি রুম আলাদা করে দেওয়া থাকে যাতে আমরা নামাজ পড়তে পারি।’

“আমি চাই সব মেয়েরা পর্দার সাথে থাকুক”

আফ্রিদি বলেন, ‘মেয়েদের ঘরের বাইরের কোনো খেলায় আমার মত নেই। ওদের মায়ের সঙ্গেও আমি এ নিয়ে কথা বলেছি। সেও আমার সঙ্গে একমত।’

পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি নিজের চার মেয়ে প্রসঙ্গে বলেন, ‘যেসব খেলা ঘরের বাইরে গিয়ে খেলতে হয়, আমি চাই না আমার মেয়েরা সেসব খেলা খেলুক।

হ্যাঁ, ঘরের ভেতরে (ইনডোর গেমস) যেকোনো খেলায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে তারা গড়তে পারে।’

পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘সামাজিক ও ধর্মীয় অনুশাসনের কথা বিবেচনায় রেখেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নারীবাদীরা আমাকে যা খুশি বলতে পারেন, আমার তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। তবে আমি আমার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।’

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে শহীদ আফ্রিদির আত্মজীবনীমূলক বই। সেই বইয়ে পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, ‘গত কয়েক বছরে চার মেয়ের বাবা হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার।

সত্যি বলতে কী, একেক জনের জন্মের পর আমার ভাগ্যের চাকা আরও বেশি করে ঘুরেছে। বাবার কাছে মেয়েরা আশীর্বাদ। আমার কাছে ওরা সবাই আশীর্বাদের মতো।’

এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের শিবিরের তাৎক্ষণিক সংবর্ধনা

এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের জন্য তাৎক্ষণিক সংবর্ধনার আয়োজন করে ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগর শাখা। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি ড.মোবারক হোসাইন।

অনুষ্ঠানের প্রধার অতিথির বক্তব্যে ড. মোবারক হোসাইন বলেন, মেধাবীরাই দেশ গঠনের কাজে এগিয়ে আসতে হবে।

এবার উচ্চমাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা দুপুর ২ টার পর থেকে পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন।নিজ নিজ শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট ও মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র।

দুবাই আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছেন হাফেজ মুয়াজ

দুবাই অ্যাওয়ার্ড খ্যাত ২৩তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০১৯ এ অংশ নিতে দুবাই যাচ্ছেন বাংলাদেশের হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ।

পবিত্র রমজানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ২য় রমজানে শুরু হয়ে এ প্রতিযোগিতা চলবে ১৪ রমজান পর্যন্ত। ১৪ রমজান প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে।

আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন রাজধানীর মিরপুরস্থ প্রতিষ্ঠান মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী ঢাকার ছাত্র হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ।

এর আগে প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে দেশের মেধাবী ৩২৭ জন হাফেজে কোরআন অংশগ্রহণ করেন। এরমধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে মুয়াজ মাহমুদ এ প্রতিযোগিতার একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোমবার সন্ধ্যার ফ্লাইটে হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ এবং তার শিক্ষক আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুবাইয়ের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।

মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামী ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজি মাসুম দুবাইতে অনুষ্ঠিতব্য এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় হাফেজ মুয়াজের সফলতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে