মায়ের ধ*র্ষণ ঠেকাতে ধ*র্ষককে খুন করলো ছেলে!

চাঞ্চল্যকর সাকিব (২১) হ*ত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও মূল ২ আসামি বিলকিস আক্তার বানু ও তার ছেলে বিপ্লব হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঈশ্বরদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জহুরুল হক ও ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহা উদ্দিন ফারুকীর নেতৃত্বে সোমবার শহরের অরনকোলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের কাছে ও আদালতে তারা সাকিব হ*ত্যার বিষয়টি স্বীকার এবং মূল ঘটনা প্রকাশ করেন। সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী। অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

আসামিদের দেয়া তথ্যে বেরিয়ে আসে এই তথ্য। জানা গেছে, ঈশ্বরদীর চকনারিচা বাগবাড়িয়া গ্রামের আলমগীরের ছেলে সাকিব। তার কুদৃষ্টি ছিল মামি বিলকিস আক্তার বানুর দিকে। সে প্রায়ই তার মামিকে কুপ্রস্তাব দিত।

২৫ মে রাতে মামা বাড়িতে না থাকার সুযোগে সাড়ে ১২টার দিকে মামি বিলকিস আকতারকে ডাকে সাকিব। এতে বিলকিস দরজা খুলে দেন।
ভেতরে ঢুকেই সাকিব মামিকে কুপ্রস্তাব দেয়। বিলকিস রাজি না হলে সাকিব শক্তি প্রয়োগ করে।

এ সময় দু’জনের ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিলকিস তার ছেলে বিপ্লবকে ডাকে। মায়ের বিপদ অনুমান করে বিপ্লব আরও ৪-৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের ঘরে গিয়ে সাকিবকে জাপটে ধরে।

তারা বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে সাকিবকে হ*ত্যা করে স্থানীয় সাখাওয়াতের বাড়ির পাশে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তে পাবনা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ওইদিনই মামলা হয়। সুত্র: সকালের সংবাদ

সিলেটে এবারের যৌতুক বিহীন গণবিবাহ মঞ্চে এক সাথে ২০ জনের বিবাহ!

সিলেটে এক মঞ্চে ২০ জনের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৬ জুলাই) দুপুর বারোটায় সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায় এ গণবিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ‘ইসলাহুল মুসলিমিন পরিষদ’

বাংলাদেশের উদ্যোগে ৪র্থ বারের মতো হত দরিদ্র ২০ দম্পতির যৌতুক বিহীন গণবিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, উপজেলার ৫নং বড়চতুল ইউনিয়ন-

পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হোসেন চতুলীর নিজ বাড়ি রাউতগ্রাম মাদানীনগরে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, আলিম-উলামাদের উৎসব মুখর উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

ইসলাহুল মুসিলিমিনের পক্ষ থেকে যৌতুকবিহীন এ গণবিবাহ অনুষ্ঠানে দরিদ্র পরিবারের ২০ নবদম্পতির প্রত্যেককে তাদের ভরণ পোষণের জন্য ১ টি সেলাই মেশিন, ১ টি ছাগল এবং সংসার সাজানোর-

বিবাহ উপহার সামগ্রী এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এসময় নবদম্পতিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন,

কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা বাবুল আহমদ, কানাইঘাট সার্কেলের সিনিয়র এএসপি আব্দুল করিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল্লাহ শাকির,

কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আহাদ, শাবিপ্রবি কলেজ পরিদর্শক এম তাজিম উদ্দিন, সাংবাদিক মুজিবুর রহমান ডালিম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন,

ইসলাহুল মুসলিমিনের প্রোগ্রাম সহকারী মাওলানা দিদারুল আলম তারেক, মাওলানা বদরুল আলম, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ, মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে