গরুরা জাতে হিন্দু, তাদের পোড়াতে হবে, দাবি বিজেপি নেতার !

0

গরুরা জাতে হিন্দু। তাই কোনো গরু মারা গেলে সেটিকে কবর দেওয়া যাবে না। কারণ ওটা মুসলমানদের নিয়ম। হিন্দুদের সৎকারের নিয়ম মেনে মৃত গরুকে এখন থেকে পোড়াতে হবে। ভারতের উত্তর প্রদেশের বারবাঁকি পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে এই মন্তব্য করেছেন পুরসভার চেয়ারপার্সনের স্বামী তথা বিজেপি নেতা রঞ্জিত শ্রীবাস্তব।

এজন্য পৃথক বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরি করে তারপর সাদা কাপড়ে মুড়ে গরুর শবদেহের শেষকৃত্যের দাবি জানিয়েছেন রঞ্জিত। বারবাঁকি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান রঞ্জিত এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে নজর দিতে আবেদন করেছেন।

তিনি বলেছেন, নিজের এই প্রস্তাব পাস করাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন তিনি। এবং বারবাঁকিতে গরুদের জন্য পৃথক শ্মশানঘাট তৈরির ব্যবস্থা করবেন। যদিও এই ব্যাপারে রাজ্য প্রশাসনের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

শিশুদের নামাজি বানাতে মসজিদেই শিশুপার্ক তৈরি ইমামের

শিশুদের নামাজ ও কুরআন শিক্ষার প্রতি আকৃষ্ট করতে মসজিদের সঙ্গেই ছোটখাটো একটি শিশুপার্ক গড়ে তুলেছেন তুরস্কের কোকেলি প্রদেশের বাসিসকেলে জেলার একটি মসজিদের ইমাম। এ ঘটনায় দেশটিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ডেইলি সাবাহর বরাতে জানা যায়, গ্রীষ্মকালীন কুুরআন ক্লাসে শিশুদের কম উপস্থিতি দেখে চিন্তিত হয়ে পড়েন শহরের মারকেজ মসজিদের ইমাম মাওলানা কাদির সেলেকিজ। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নামাজ ও কুরআন ক্লাসের প্রতি আকৃষ্ট করতে মসজিদের সঙ্গে নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলেন একটি মিনি শিশুপার্ক।

ইমামের এমন উদ্যোগে এলাকায় সাড়া ফেলে। কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ থাকায় মসজিদে শিশুদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। ১০ বছর ধরে মসজিদটিতে ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন কাদির সেলেকিজ। এ শিশুপার্কটি গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সহায়তা নেন।

আরো জানা যায়, প্রতি সোমবার ক্লাস শেষে শিশুদের জন্য ইসলামি নাটকও পরিবেশিত হয় এখানে। শিশুদের পপকর্ন এবং চকলেটও উপহার দেওয়া হয়। ইমামের এমন প্রশংসিত উদ্যোগে মসজিদটিতে শিশুদের সংখ্যা এক বছরেই ৩০ জন থেকে ১৫০ জনে উঠে আসে।

পরবর্তী বছরের জন্য রেকর্ডসংখ্যক ২৫০ জন শিশুর নাম রেজিস্ট্রেশন হয়। কাদির সেলেকিজ বলেন, আমাদের শিশুকালে আমরা মসজিদে খেলতাম আর বড়রা নামাজ পড়ত। অনেক সময় তারা আমাদের বকাবকি করত। সে সময় এটি আমাকে আহত করত।

পরবর্তীতে আমার যখন সুযোগ আসল, তখন আমি উদ্যোগ নিলাম শিশুদের খেলাধুলার মাধ্যমে মসজিদের প্রতি আকৃষ্ট করে তুলতে। বাড়ি থেকে মসজিদ দূরে হয়ে যাওয়ায় নিয়মিত নামাজে এবং ক্লাসে আসত না অনেক শিশু। তবে খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পর অনেকেই এখন আগ্রহী হওয়া শুরু করেছে বলে তিনি জানান