ইসকনের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ !

0

ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণা কনসাসনেসের (ইসকন) কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের টাউন হল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন মুসল্লিরা। এসময় তারা ভোলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ জন নিহতের ঘটনার বিচারের দাবিতেও স্লোগান দেন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোহাম্মদপুরের টাউন হলের আল্লাহ্ করিম মসজিদ ও মসজিদ সংলগ্ন সড়কে এই অবরোধ ও বিক্ষোভ শুরু হয়। এর আগে রোববার ভোলার বোরহানউদ্দিনে ‘তৌহিদি জনতা’র সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষে চারজন নিহত হন। আহত হন পুলিশসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি।

ফেসবুকে মহানবীকে (স.) নিয়ে কটূক্তি করার প্রতিবাদে রোববার বেলা ১১টায় বোরহানউদ্দিন হাইস্কুল মাঠে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এতে অংশ নিতে উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার লোক একত্রিত হয়ে ‘নবী অবমাননা’ ও ‘আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তিকারীর ফাঁসি চাই’- স্লোগান দিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন। কিন্তু সমাবেশ শুরুর আগেই তা শেষ করতে তাগাদা দেয় পুলিশ। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ।

সুত্র: জাগো নিউজ২৪

আফ্রিকায় প্রথম আজান হওয়া ঐতিহাসিক উকবা মসজিদ

আফ্রিকা মহাদেশের একেবারে উত্তরে ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী ছোট্ট দেশ তিউনিসিয়া। দেশটির উপকুলে ইসলামের আলো ছড়ানো মসজিদ কাইরুয়ান। যে মসজিদ থেকে আফ্রিকা মহাদেশে প্রথম আজান শুরু হয়। ইসলামের আগমন বার্তা প্রচারিত হতে থাকে সমুদ্র তীরবর্তী এ মসজিদ থেকে। ৫০ হিজরি সালে নির্মিত হয় এ মসজিদ।

সে হিসেবে মসজিদটি প্রায় হাজার বছরের পুরোনো। আফ্রিকা মহাদেশের এ প্রাচীন মসজিদটি স্থাপন করেন হজরত উকবা বিন নাফি রাহমাতুল্লাহি। ইসলামের অন্যতম খলিফা হজরত আমীর মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর সেরা সামরিক কমান্ডার এ উকবা বিন নাফি। তিনিই ৯ হাজার বর্গমিটার জায়গাজুড়ে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন।

আর এ মসজিদ থেকেই আফ্রিকা মহাদেশে সর্বপ্রথম আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়। তিউনিসিয়া দেশটি ছোট্ট হলেও এর প্রায় সব নাগরিকই মুসলিম। দেশটি ১৮৮১ সাল থেকে ফ্রান্সের অধীন ছিল। দীর্ঘদিন পর ১৯৫৬ সালে দেশটি ফ্রান্সের উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেন। বর্তমানে দেশটির রাষ্ট্রধর্মও ইসলাম।

আফ্রিকা মহাদেশের মুসলিম অধ্যুষিত ছোট্ট দেশটি বিভিন্ন কারণে পর্যটকদের জন্য জনপ্রিয় দর্শণীয় স্থান। তিউনিসিয়ার আবহাওয়া চমৎকার। সমুদ্র তীরবর্তী দেশটির রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া ও নয়নজুড়ানো বেলাভূমিই পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এ মসজিদটি স্থানীয় শহরের নামেই পরিচিত। কাইরুয়ান শহরের এ মসজিদটি স্থানীয় নাম ছাড়াও উকবা জামে মসজিদ নামেও পরিচিতি।

আফ্রিকা মহাদেশে এ মসজিদ থেকে প্রথম আজান দেয়ার কারণে ইসলামের ইতিহাসেও এ মসজিদের গুরুত্ব অপরিসীম। বাহির থেকে দেখতে মসজিদটিকে একটি শক্তিশালী দুর্গ মনে হয়। ৫ গম্বুজ ও ৯ প্রবেশ গেটে নির্মাণ করা হয়েছে এ মসজিদ। মসজিদের মেহরাবের কাছে ছোট নিচু ছাদ বিশিষ্ট ‘মাকসুরা’ নামে একটি কক্ষও রয়েছে।