কুমিল্লায় সৌদি প্রবাসী আরিফ হায়দারের স্ত্রী সন্তান নিয়ে বাড়ি থেকে পালাতক;অতপর বিয়ে

স্টাফ রিপোর্টার: চৌদ্দগ্রাম, চিওড়া ইউনিয়নের কান্দিরপাড়ের শামিমের হাত ধরে পালিয়ে যায় তারই পাশের গ্রাম সাতবাড়িয়ার ব্যবসায়ী কিবরিয়ার বড় মেয়ে নিশাত। এই ঘটনার সূত্রপাত হয়।

ঘটনা সুত্রে জানা যায়,২০১৪ আরিফ হায়দারের সাথে নিশাতের লাকসাম বিয়ে হয়,,নিশাত এই বিয়েতে রাজি ছিলো না কারণ তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো তারই পাশের গ্রামের শামিমের সাথে,, বিয়ের দিন থেকে সংসার করতে রাজি না হওয়াতে তার উপর শারিরীক এবং মানসিক অত্যাচার করা শুরু করে তা নিয়মিত চলতে থাকে।

এতে সংসার করবে না বলে মেয়ে তার আত্মীয় স্বজন গ্রামের মুরুব্বিদের জানায়। এরপর তার পিতা কিবরিয়া (ব্যবসায়ী) এবং স্বামীর অত্যাচার আরো বাড়াতে থাকে,,তাকে দুই বছর ধরে বন্দী অবস্থায় রাখা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে মেয়েটি নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাড়ির ছাদ থেকে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়,,

এতে মেয়েটির একটি পা ভেঙে যায়। এরপর তাকে কুমিল্লা টাওয়ারে ভর্তি করানো হয় কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠার পর তাকে বাবার বাড়িতে পাঠানো হয়। বাবার বাড়িতে থাকাকালীন সময়ে এলাকার মুরুব্বিদের দিয়ে মেয়ে নানা রকম ভাবে চেষ্টা করেছে সেখান থেকে ডিবোর্স নিয়ে নিতে। কিন্তু মেয়েটির বাবা এবং স্বামী কোনো ভাবেই তাকে ডিবোর্স নিতে দেননি।

উল্টো মেয়েটিকে বাবার বাড়িতে ঘর বন্দী রাখা হয়। গত তিনমাস আগে মেয়ে কোনো ভাবে ঘর থেকে বের হয়ে কুমিল্লা কোর্টে গিয়ে উকিল নোটিশ দেয়,,এই বিষয়টা মেয়ের পরিবার এবং তার স্বামীর পরিবার ধামাচাপা দিয়ে রাখে।

এবং তার উপর নির্যাতন আরো বাড়িয়ে দেয়,, স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মেয়েটি গত চারদিন আগে পালিয়ে যায় এবং গতকাল ওমান প্রবাসী শামিমের সাথে বিবাহ সম্পূর্ন করেন,,মেয়েটির সাথে শামিমের ৮ বছরের সম্পর্ক ছিলো বলে জানায়। এই ঘটনার জের ধরে বিভিন্নভাবে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে দুটি গ্রুপ। জানা গেছে শামিমের সাথে শত্রুতার জের ধরে একটা গ্রুপ তার নামে অপ্রচার চালাচ্ছে। এতে ছেলে এবং মেয়ে দুইজনই নানারকম অসুবিধা ভোগ করছে।

সুত্রঃ আলোকিত চৌদ্দগ্রাম

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে