বরিশালে বিয়ের আগ মুহূর্তে বর-কনে ও কাজিসহ ৯ জনের জেল!

ভোলায় বাল্যবিয়ে ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পৃথক দু’টি বাল্যবিবাহ পড়ানোর অপরাধে বর-কনে, অভিভাবক ও কাজিসহ ৯ জনের জেল-জরিমানা প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

এদের মধ্যে তিনজনকে ৬ মাস করে কারাদণ্ড, ৪ জনকে ১০ হাজার টাকা করে ও ২ জনকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুর ২টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাওছার হোসেন বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ এর ৮ ধারা অনুযায়ী এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কাজী মো. ইকবাল হোসেন, তার সহকারী মো. হাসান ও বর মো. সজিব। এদের মধ্যে কাজী মো. ইকবাল হোসেন সদর উপজেলার পরানগঞ্জ বাজার এলাকার সৈয়দ আহম্মদ এর ছেলে। তার সহকারী মো. হাসান একই উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মো. আব্দুল মতিনের ছেলে এবং বর মো. সজিব বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে।

অর্থদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বোরহানউদ্দিন উপজেলার মুলাইপত্তন গ্রামের প্রবাসী মো. মফিজুল ইসলাম ফরাজীর স্ত্রী নাসিমা আক্তার, তার নবম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে কনে মোসা. ফাতেমা আক্তার মিতু, সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের মো. সবুজ, মজিব উদ্দিন, মাইনুদ্দিন ও নাজিম উদ্দিন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বাল্যবিয়ে ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক এম শাহরিয়ার জিলনের কাছে শহরের সামসুদ্দিন মার্কেটে অবস্থিত কাজি অফিসে বিয়ের প্রস্তুতি চলছে এমন খবর আসে।

তিনি বিষয়টি কমিটির সভাপতি এ্যাডঃ সাহাদাত হোসেন শাহিন ও যুগ্ম সম্পাদক এম মইনুল এহসানকে জানালে তারা কাজী অফিসে পৌঁছান। এসময় খবর পেয়ে ইয়ুথ পাওয়ার ইন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আদিল হোসেন তপু ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে