আর করবো না ধান চাষ, দেখবো তোরা কি খাস

ধান কাটতে একজন শ্রমিককে মজুরি দিতে হচ্ছে ৯০০ থেকে এক হাজার টাকা। সঙ্গে তিন বেলা খাবার। অথচ প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। এত কম দামে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠছে না কৃষকের।

তাই নিজের পাকা ধানে আগুন লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের কৃষক আবদুল মালেক সিকদার। বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে ধানের দাম বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন।

এরই জের ধরে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এক বৃদ্ধকে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ করতে দেখা যায়। বৃদ্ধের পরিহিত জামাতে লেখা ‘আর করবো না ধান চাষ, দেখবো তোরা কি খাস’।

এমন ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে কৃষকদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে মত দিচ্ছেন নেটিজেনরা।

সুত্র: বিডি প্রতিদিন

আল্লাহর ইচ্ছায় ফিরে এসেছি: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পরম করুনাময় আল্লাহ’র ইচ্ছায় এবং দেশবাসীর দোয়ায় আমি ফিরে এসেছি।

বুধবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরে তিনি দেশবাসী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি একথা বলেন।

সিঙ্গাপুরে টানা দুই মাস ১০ দিন চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরেছেন ওবায়দুল কাদের জানান, নতুন উদ্যমে আবার তিনি কাজে আত্মনিয়োগ করতে চান।

এরআগে বিকেল ৫ টা ৫২ মিনিটে ওবায়দুল কাদেরকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ০৮৫ নম্বর ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করে। বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে জড়ো হন হাজার হাজার নেতাকর্মী। এ সময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান তারা।

ঢাকায় অবতরণের পর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ দলীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানান।

এরপর বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে সংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, দুই মাস ১১ দিন আগে আমার জীবন ছিল চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে। বাঁচব কি-না এ নিয়ে সংশয় ছিল। সেই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় এবং আমাদের প্রিয় নেত্রী- যিনি চরম সঙ্কটে মা তার সন্তানের জন্য যা করেন তিনি আমার জন্য তা-ই করেছেন, তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই। তাকে (প্রধানমন্ত্রী) বলা হয় মাদার অব হিউম্যানিটি। তার কাছে আমি অশেষ ঋণে বাঁধা পড়ে গেলাম।

আওয়ামীলীগের এই নেতা বলেন, শেখ রেহানা,তিনি কোরআন শরীফ পাঠ করে আমার জন্য দোয়া করেছেন। তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। যদিও সেই সময় আমার মধ্যে আমি ছিলাম না। শুনেছি, আপনজন এই সময় কাছে এসে ডাকলে মৃত্যুপথযাত্রী সাড়া দেয়। শেখ হাসিনা আমাকে নাম ধরে ডেকেছিলেন, তখন আমি সাড়া দিয়েছিলাম-এটা পরে আমাকে বলেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সারা দেশের মানুষ, দলের এবং দলের বাইরের সবাই আমার জন্য দোয়া করেছেন-এমনকি প্রবাসী বাঙালিরা আমার পাশে ছিলেন। সবচেয়ে বড় পাওয়া হলো মানুষের ভালোবাসা। সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি আপনাদের পাশে আছি। একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে বড় অর্জন জনগণের ভালোবাসা পাওয়া, যা আমি পেয়েছি।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আসুন, আমরা নতুন উদ্যমে কাজ করে আমাদের নেত্রীর হাতকে আরও শক্তিশালী করি। আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রতি যারা আমার অনুপস্থিতিতে টিমওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হতে দেননি। আমরা এভাবেই শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবো।

তিনি বলেন, আমাদের জীবনটাই হলো স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটা। আমরা এটা শিখেছি বঙ্গবন্ধুর পরিবার থেকে। শেখ হাসিনার কাছ থেকে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আর পাঁচ মিনিট পরে যদি আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতাম তাহলে অন্য ঘটনাও ঘটে যেতে পারত। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক, মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের চিকিৎসক এবং ডা. দেবী শেঠীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে