৩ বছরে পুরো কুরআন হেফজ করলো ৬ বছরের মেইসাম

৬ বছর বয়সেই সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্বকনিষ্ঠ শিশু হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। মেইসাম ৩ বছর বয়সেই পবিত্র কুরআনের ২ পারা মুখস্থ করেন।

পরবর্তী ৩ বছরে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হন। ৬ বছরের মেইসাম এখনো কোনো স্কুলে ভর্তি হয়নি। আর তাতেই সর্বকনিষ্ঠ হাফেজের খ্যাতি লাভ করেন মেইসাম। মেইসামের মা জানান,

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় অবস্থিত কুরআন ও সুন্নাহ ইন্সটিটিউটে ৩ বছর বয়সে কুরআনিক কোর্সে তাকে ভর্তি করে দেয়া হয়। আর এখানেই সে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করে। এখন তার বয়স ৬ বছর।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার মেয়ের যখন তিন বছর ছিল তখন তার দুই পারা মুখস্থ ছিল। মেইসাম আমিরাতে ‘শেখ জাদেহ’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

এ প্রতিযোগিতায় সে সপ্তম স্থান অধিকার করে। ৬ বছরের শিশু ও সর্বকনিষ্ঠ হাফেজ মেইসাম ইয়াহিয়া মুহাম্মাদের প্রতি রইলো শুভ কামনা। আল্লাহ তাআলা তাকে কুরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

ভারতে ভারী বৃষ্টিপাতে দেয়াল ধসে ১৫ জনের মৃত্যু

ভারী বৃষ্টিপাতে ভারতের পুনেতে দেয়াল ধসে ১৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে চার শিশু ও এক নারী রয়েছেন। শনিবার ভোরে পুনের কোন্ধা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের পাশের দেয়াল ধসে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভি।

পুলিশ জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে দেয়াল ধসে শ্রমিকদের জন্য নির্মিত একটি ঘরের ওপর পড়ে। বেশ কয়েকটি গাড়ি ধ্বংসস্তুপের নিচে পড়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে ভারতের পুনেতে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

শুক্রবারও তা অব্যাহত ছিল। শুক্রবার রাত পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় শহরটিতে ৭৩ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার পর জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বাহিনী (এনডিআরএফ) ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন।

আটকে পড়া ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। পুনের জেলা কালেক্টর নাভাল কিশোর রাম বলেছেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেয়াল ধসে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগই বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা শ্রমিক। সরকার হতাহতদের সহায়তা দেবে বলে জানান তিনি।

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে