কিয়ামত পর্যন্ত খালেদা জিয়া বাংলার লক্ষ-কোটি মানুষের মনে বেঁচে থাকবেন : রনি

গোলাম মাওলা রনি | সাবেক আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ও বর্তমান বিএনপি নেতা বেগম জিয়ার কথা মনে হলেই এক ধরণের বিষন্নতা আমায় পেয়ে বসে ! তার সঙ্গে কোনো দিন আমার দেখা হয়নি, এমনকি কথাও হয়নি !

বয়সে তিনি আমার মায়ের চেয়ে অন্তত চার বছরের বড় ! আমার মা আজ যদি কারাগারে থাকতেন তবে আমি কি করতাম অথবা মা কে কারাগারে রেখে আমি কিভাবে আহার , নিদ্রা, এবং বিশ্রাম করতাম ?

আমার মায়ের সঙ্গে আমার রক্তের সম্পর্ক. অন্য দিকে বেগম জিয়ার সঙ্গে সম্পর্কটা আদর্শিক এবং রাজনৈতিক. তিনি যদি বাইরে থাকতেন তবে আমার বিএনপিতে যোগদানে তিনি সব চেয়ে খুশি হতেন. কারণ বহু দিন ধরে তিনি চাইছিলেন আমি যেন তার দলে যোগদান করি.

এবারকার ঈদে যদি দেশনেত্রী মুক্ত থাকতেন তবে আমি নিশ্চয়ই তার সঙ্গে দেখা করতে যেতাম .আমাকে দেখে তিনি কি বলতেন এই কথা ভাবতে গিয়ে আমার মনে বন্দি খালেদা জিয়া এবং কারাগারের নির্জনতার নির্মম এবং নিষ্ঠুর বাস্তবতার কথা মনে এলো এবং একরাশ বেদনার বিষ বৃষ্টি দ্বারা আক্রান্ত হলাম !

প্রিয় নেত্রীর ভাগ্যে কি আছে জানি না. তাকে নিয়েও আল্লাহর কি সিদ্ধান্ত তাও জানি না. তবে একথা জানি যে, কিয়ামত পর্যন্ত তিনি বাংলার লক্ষ্ কোটি মানুষের মনে বেঁচে থাকবেন অসীম মমতায় , নিবিড় শ্রদ্ধায় এবং নিত্যকার প্রার্থনায় …. ফেসবুক থেকে

আরো সংবাদ

‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ এ কথা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক : সংসদে বিএনপির এমপি হারুন

‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ এই কথার তীব্র সমালোচনা করে এটা ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ।
মঙ্গলবার (১১ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের শুরুর দিন মাগরিবের নামাজের বিরতির পর পয়েন্ট অব অর্ডারে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হারুনুর রশিদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘সংবিধানে আছে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম। আবার বলা হয় ধর্ম যার যার উৎসব সবার। পূজায় গিয়ে এটা বলা হয়, এটা হতে পারে না। এটা ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যেহেতু রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তাই এটা হতে পারে।

আর এটা বলতে হলে তবে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাদ দিতে হবে।’
এসময় আওয়ামী লীগের সদস্যদের আপত্তি-চেঁচামেচির মধ্যেও হারুন তার বক্তব্য চালিয়ে যেতে থাকেন। স্পিকার বারবার তাকে বক্তব্য শেষ করার আহ্বান জানান।

যোগ দেয়ার প্রথম দিনেই সংসদে উত্তাপ ছড়ালেন ব্যারিস্টার রুমিন

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে সংসদে গিয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
সংসদে যোগ দিয়ে প্রথম দিন শুভেচ্ছা বক্তা হিসেবে বলার সুযোগ নিয়ে তিনি বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়।’

আর এতেই সংসদ কক্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানালে স্পিকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আপত্তিকর কোনো কথা থাকলে তা এক্সপাঞ্জ করা হবে বলে জানান।

মঙ্গলবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপির এই এমপি প্রায় আড়াই মিনিট বক্তব্য রাখলেও সরকারদলীয় মন্ত্রী-এমপিদের চিৎকার, চেঁচামেচি ও প্রতিবাদের কারণে সংসদ কক্ষে কেউ রুমিনের বক্তব্য ভালোভাবে শুনতে পাননি। এ সময় স্পিকার সরকারি দলের সদস্যদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানালেও কেউ কর্ণপাত করেননি।

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে