নিউজিল্যান্ডে আহতদের দেখতে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন রাগবি খেলোয়াড়

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুইটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান নিউজিল্যান্ডের অল ব্ল্যাক্স রাগবি খেলোয়াড় ওফা তুঙ্গাফাসি। সঙ্গে ছিলেন
তার বন্ধু ও সতীর্থ সনি বিল উইলিয়ামস।

আর বন্ধুর অনুপ্রেরণায় অল্প সময়ের জন্য
আহত মুসলিমদের দেখতে গিয়ে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হন ওফা। সর্বশেষ ইসলামের ছায়াতলে ভিড়লেন তিনি। অবশ্য বন্ধুর অনুপ্রেরণায় কিছুদিন ধরে তিনি ইসলামের প্রতি প্রীত ও
আগ্রহী হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এমনটাই জানা গেছে।

অন্যদিকে সনি বিল উইলিয়ামসের মা ছেলের অনুপ্রেরণায় একই দিন ইসলাম গ্রহণ করেন। মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ব্রিটিশ জাজ কণ্ঠশিল্পি জন
ফন্টেইন তার অফিসিয়াল টুইটারে টুইট করেন, ‘আল্লাহু আকবার! আজ সনি বিল উইলিয়ামের মা এবং তার সতীর্থ ওফা তুঙ্গাফাসি ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

’অল ব্ল্যাক্স রগবি খেলোয়াড় ওফা তুঙ্গাফাসি মূলত প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গার বংশোদ্ভূত। ওফা ও সনি উইলিয়ামস শুক্রবার ২২ মার্চ ক্রাইস্টচার্চ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটান। তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও সববেদনা প্রকাশ করেন।

তাদের জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করেন। ওফা তুঙ্গাফাসি তার অফিসিয়াল টুইটারে লিখেন,
‘সত্যই, প্রতিটি কষ্ট সঙ্গে করে সহজতা নিয়ে আসে। সপ্তাহান্তে হাসপাতালে মুসলিম ভাইদের দেখার সবচেয়ে অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল।

আমি অনুপ্রাণিত এবং এভাবেই তা আঁকা হয়েছে প্রসঙ্গত ২০০৮ সালে সনি বিল উইলিয়ামস অস্ট্রেলিয়ায় সিডনির এক মসজিদে গিয়ে প্রভাবিত হন এবং এরপর তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। তাকে নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুসলিম মুখ বলা হয় দেশটির ক্রীড়াজগতে তার বেশ প্রভাব রয়েছে।

ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার পর পুরো নিউজিল্যান্ডের আপামর জনতা এক কাতারে এসে দাঁড়ায়। ১৫ মার্চ এক শ্বেতাঙ্গ উগ্রবাদী সন্ত্রাসীর হামলায় ৫০ জন
মুসল্লি নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ ও মুসলিম
সমাজের পাশে দাঁড়ানোর অভিপ্রায়ে শুক্রবার ২২ মার্চ হ্যাগলি পার্কে প্রায় ২০ হাজার মানুষ জড়ো হন।

সেখানে সবার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে কিংবদন্তি সনি বিল উইলিয়ামসও উপস্থিত হয়েছিলেন। ক্রাইস্টচার্চের মর্মন্তুদ এই হামলায় তিনি খুব কষ্ট পেয়েছেন। এতে তিনি কাছের এক
বন্ধুকেও হারিয়েছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় গঠিত তহবিলে তিনি ২ লাখ ডলারও তুলে দেন!

সুত্রঃ ppn. news

অারো পড়ুন-ভেনিজুয়েলা নিয়ে যেকোনো মুহুর্তে রাশিয়া-আমেরিকা যুদ্ধ!

ভেনিজুয়েলা নিয়ে যে কোন মুহুর্ত যুদ্ধে জড়াতে পারে বিশ্বের দুই শক্তিশালি রাষ্ট্র আমেরিকা ও রাশিয়া। ইতিমধ্যে রাশিয়ার একটি সেনাদল ভেনিজুয়েলা পৌঁছেছে। মঙ্গলবার এ খবর জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে,সম্প্রতি ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের সাইমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রুশ সেনারা পৌঁছার পর তাদেরকে স্বাগত জানায় ভেনিজুয়েলার উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। এসময় তারা ৩৫ হাজার টন ত্রাণ সাথে করে এনেছে। তবে এই ত্রাণবহরে কী আছে সে সম্পর্কে ভেনিজুয়েলা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।

এর আগে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করে দেশটিতে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে রাশিয়া।

ভেনিজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা জুয়ান গুইদো সম্প্রতি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর আর কোনো পৃষ্ঠপোষক নেই। তার ওই বক্তব্যের পর রাশিয়া ভেনিজুয়েলায় সেনা সদস্যসহ দুটি বিমান পাঠালো।

ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের সাথে যুক্ত একটি ওয়েবসাইটে দেখা গেছে, শুক্রবার রাশিয়ার মিলিটারি এয়ারপোর্ট থেকে ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের উদ্দেশে যাত্রা করে দুটি বিমান। আরেকটি ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইটে দেখা গেছে, শনিবার রাশিয়ার একটি বিমান কারাকাস ছেড়েছে।

ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রতি সমর্থনের বার্তা দিতে তিন মাস আগে দেশটিতে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয় রুশ বাহিনী। তবে ওই মহড়াকে অঞ্চলটিতে রাশিয়ার অনধিকার চর্চা হিসেবে আখ্যায়িত করে এর সমালোচনা করেছিল আমেরিকা।

শনিবার টুইটারে দেয়া পোস্টে জেভিয়ার মেয়র্কা নামের একজন সাংবাদিক লিখেছেন, রাশিয়ার পাঠানো প্রথম বিমানটিতে অন্যদের সাথে দেশটির সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফও ছিলেন। আর দ্বিতীয় বিমানটি ছিল একটি কার্গো বিমান। এতে ৩৫ টন সামগ্রী বহন করা হয়।

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে