কারাগারে মৃত্যুদণ্ডের ধার প্রান্তে শায়েখ সালমান আল আওদাহ

নাম: শায়খ সালমান আল আওদাহ হাফিযাহুল্লাহু ওয়া ফাক্কাল্লাহু আসরাহু

জন্ম: সৌদি আরব 24 শে ডিসেম্বর 1956
বর্তমান বয়স 61 এবং তিনি বর্তমানে রিয়াদের একটি কারাগারে আছেন।

শায়খ যাদের থেকে তাজকিয়া ও অধ্যায়ন লাভ করেন:
শায়খ আবদুল আজিজ ইবনে বায, মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন, আব্দুল্লাহ ইবনে জিব্রিন, হাম্মুদ উকালা শুয়াইবি, মোহাম্মদ সোরূর।

শাইখ ছিলেন সৌদির পবিত্র ভূমিতে নাপাক আমেরিকার সৈন্য মোতায়েনের কঠোর বিরোধিতাকারী, যার কারণে 1994 তে গ্রেফতারও হয়েছিলেন।

শায়খ প্রায় একশোটির বেশি কিতাব রচনা করেছেন।

গত 12 ডিসেম্বর 2017 সৌদি রাজপরিবার শায়খকে কোন আইনী অপরাধ ছাড়াই বন্দী করে রেখেছে।
এবং শুরু থেকেই মুহাম্মদ বিন সালমান ও তার দোসররা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নোংরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে।

আজকে শায়খের সেই কথাটি বেশি মনে পড়তেছে যা, তিনি শায়খ আব্দুল আযীয আত-তারিফী হাফিজাহুল্লাহ কে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন।

শায়েখ আব্দুল আযীয আত-তারিফী (হাফিঃ) গ্রেফতার হন সৌদি প্রশাসন কর্তৃক 23 শে এপ্রিল 2016 শনিবার রাতে।

শায়খ গ্রেফতার হওয়ার পরে, শাইখ সালমান আল আওদাহ (হাফিজাহুল্লাহ) তার টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি বার্তা দিয়েছিলেন তিনি বলেছিলেন
“আমার কাছে একটি চিঠি পৌঁওছেছে যা শায়খ আব্দুল আজিজ তারিফি আমাকে উদিশ্য বলেছিলেন –
তিনি বলেন “আল্লাহর শুকরিয়া আল্লাহ যেখানে চেয়েছেন আমি সেখানেই আছি এটা কোন জেলখানা বা বন্ধিশালা নয় বরং আল্লাহ তাআলার নৈকট্য হাসিলের এক নির্জন অবস্থান”

তখন সালমান আল আওদাহ (হাফিজাহুল্লাহ) মন্তব্য করে বলেছিলেন, “আল্লাহর ইচ্ছায় দেওয়ালের ওপারে অচিরেই আপনার সাথে সাক্ষাৎ হবে”।

এর কিছুদিন পর 2017 সালের 12 ডিসেম্বর, শায়েখ সালমান আল আওদাহকে সৌদি প্রশাসন গ্রেফতার করেন।

ফিতনা এতটাই ঘুরপাক খাচ্ছে যে, কোন সময় কে জালিমদের হাতে শহীদ হন এটা আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ভালো জানেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:
আপনারা জানেন যে চলমান তিনজন শায়খ কে অতি দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করবে বলে সৌদি প্রশাসন গভীর ষড়যন্ত্র ও আদালত কে চাপ দিচ্ছেন তারা হচ্ছেন শায়েখ সালমান আল আওদাহ, শাইখ উওয়াদ আল কারনী, শায়খ আলী উমরী।

বাকি দুইজন শায়খ নিয়ে পোস্ট অচিরেই আসবে ইনশাআল্লাহ।

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে