দুর্ভিক্ষে অবস্থা এতোটা ভয়াবহ যে ইয়েমেনীরা রোজা রাখে ঘাস আর গাছের পাতা খেয়ে

ইয়েমেনে চলছে নীরব দুর্ভিক্ষ। মারাত্নক আকার ধারণ করেছে দুর্ভিক্ষ। এ দুর্ভিক্ষের জন্য কে দায়ী? নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি সরকার, আর এস এস, না হিন্দুত্ববাদীরা?

এর জন্য দায়ী সৌদি আরব। ইয়েমেনে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ সময় ধরে সৌদি আরব ইয়েমেনে উপর অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে, সাথে আছে সৌদি আরবের অবরোধ। অবরোধের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থার ত্রাণ তৎপরতা। সৃষ্টি হয়েছে খাদ্য সংকট।

ইয়েমেনে অবরোধ আরোপ করে চুদি আরব ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে নরেন্দ্র মোদীর ভারতের, আর নিরাপত্তা চুক্তি করে ইজরাইলের সাথে।

দুর্ভিক্ষে অবস্থা এতোটা ভয়াবহ যে ইয়েমেনীরা রোজা রাখে ঘাস আর গাছের পাতা খেয়ে। ইফতারি ও সেহেরিতে ইয়েমেনীরা সিদ্ধ পাতা এবং ঘাস খায়। সবচেয়ে শোচনীয় ব্যাপার হচ্ছে ইয়েমেনের কিছু কিছু এলাকায় এখন আর খাওয়ার মত গাছের পাতা বা ঘাসও অবশিষ্ট নেই…

কিন্তু ইয়েমেনের প্রতিবেশী সৌদি বাদশাহ, নাগরিকরা ইফতারি, সেহেরি করে শান শওকত আর বিলাসিতায় মত্ত হয়ে।

তুমি নরেন্দ্র মোদী বোঝ, গরুর মাংস বোঝ, বিজেপি বোঝ, কিন্তু তুমি সৌদি আরব বোঝ না, ইয়েমেন বোঝ না, দুর্ভিক্ষ বোঝ না!তুমি কী!

যে প্রতিবেশীকে অভুক্ত রেখে পেট পুরে খায়, সে মু’মিন নয়। -আল হাদিস

ঈদ উপলক্ষে তুরষ্কে তিন দিন পরিবহন ভাড়া ফ্রি করার ঘোষণা

তুরস্কে প্রতি বছরের মতো এবারও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সব ধরনের পরিবহনের ভাড়া ফ্রি ঘোষণা করা হয়েছে। তুরস্ক সরকার তাদের দেশের জনসাধারণের ঈদকে উপভোগ্য করে তোলার জন্য প্রতিবছর ফ্রি ভাড়া ঘোষণা করে থাকে।

উক্ত ঘোষণার আওতায় শুধুমাত্র তুরস্কের নাগরিক না তুরস্কে বসবাসরত সকল দেশের নাগরিক এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। খবর ডেইলি সাবাহ’র। উল্লেখ্য, প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উপলক্ষে তুরস্কে সব ধরনের পরিবহন বিশেষ করে বাস মেট্রোরেল এবং লঞ্চ এর ভাড়া ফ্রি করে দেওয়া হয়। এছাড়া পবিত্র রমজান মাসে পরিবহনের ভাড়ার প্রায় অর্ধেক করা হয়। খাদ্যপন্যের দামের ওপরও থাকে বিশেষ ছাড়।

মুসলিম স্বৈরশাসকরা নিজেদের দেশ ধ্বংস করে হলেও ক্ষমতায় থাকতে চায়: এরদোয়ান

মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর স্বৈরশাসকদের সমালোচনা করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান। বলেছেন, তারা নিজেদের দেশ ধ্বংস করে হলেও ক্ষমতায় থাকতে চায়। তিনি বলেছেন, মুসলিম বিশ্বের জন্য আজ বড় প্রয়োজন শান্তি, প্রশান্তি ও স্থিতি অবস্থার। এ জন্য উন্মুখ হয়ে রয়েছে মুসলিম জাহান।

তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনিসাফাক জানিয়েছে, রাজধানী আঙ্কারায় এক ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এরদোগান বলেন, ‘সিরিয়ার মতোই স্বৈরাচারী শাসকরা তাদের ক্ষমতা রক্ষা করার জন্য কোনো নিয়ম ও নৈতিকতার ধার ধারে না, এরা নিজেদের দেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতে পারেন।

অথচ মুসলিমরা আজ বিশ্ব শান্তি, প্রশান্তি ও স্থির অবস্থার জন্য উন্মুখ হয়ে রয়েছে।’ তুর্কি প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ইসলামী বিশ্বের বর্তমান হতাশাজনক অবস্থার জন্য যারা দায়ী তাদের প্রথম দলটি হলো মুসলমানরাই।

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে