এবার মক্কা-মদিনায় ৩০ লাখের বেশি মুসল্লির অংশগ্রহণে খতমে কুরআন !

পবিত্র রমজান মাসের ২৯তম রাতে (রোববার) খতমে কুরআন মোনাজাতে মক্কা-মদিনায় অংশগ্রহণ করেছেন ৩০ লাখেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। রমজানের প্রথম দিন থেকে পবিত্র কোরআন শরীফ তেলাওয়াতের মাধ্যমে তারাবির নামাজ পড়ানো হয়।

গতকাল রোববার রাতে তারাবির নামাজে কোরআন শরীফ তেলওয়াত শেষ হয়। সোমবার সৌদি আরব থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক সৌদি গেজেট প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। কুরআন শরীফ খতম উপলক্ষে ওমরাহ হজ পালনকারী হাজী ও স্থানীয় (মক্কা-মদিনার) বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

মক্কা ও মদিনার এ দুটি মসজিদের নেতৃত্ব দানকারী শীর্ষ নেতা শেখ আব্দুর রহমান আল সুদাইস মোনাজাত পরিচালনা করেন। মক্কা ও মদিনা খতমে তারাবির নামাজে অংশগ্রহণ করেন ২০ লাখেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। এ দুটি মসজিদে লোকে লোকারণ্য হয়।

মসজিদে চৌহদ্দি পেরিয়ে মুসল্লিদের জমায়েত রাস্তা পর্যন্ত চলে যায়। মোনাজাতে শেখ আব্দুর রহমান আল সুদাইস সমগ্র মুসলিম বিশ্বের নাগরিকদের বিপদ থেকে রক্ষা ও তাদের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য গুরুত্বারোপ করেন। মক্কা শরীফের প্রবেশের ১৭০টি দরজা শত শত নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হয়।

লাখ লাখ মুসল্লির সমাবেশ হলেও যানবাহন পরিচালনায় ট্রাফিক ব্যবস্থা ভালো থাকায় কোনো ট্রাফিক জ্যাম অথবা কোনো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেনি। মদিনার খতমে কুরআনের মোনাজাতে ১০ লাখেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ১০ হাজারেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এতেকাফে বসেন।

ফিলিস্তিনি পবিত্র শহর বিক্রয়যোগ্য কোনো পণ্য নয় : ইরান

জেরুজালেম আল-কুদসের (বায়তুল মুকাদ্দাস) ওপর দখলদারিত্ব পাকাপোক্ত করার কাজে ইহুদিবাদী ইসরাইলের পক্ষ অবলম্বন করায় আরব শাসকদের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।

তিনি বলেছেন, অধিকৃত এই পবিত্র ফিলিস্তিনি শহর বিক্রয়যোগ্য কোনো পণ্য নয়। তিনি শুক্রবার নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা আল-আকসা মসজিদসমৃদ্ধ এই নগরীকে ইহুদিবাদীদের কাছে সমর্পণ করার অধিকার কারো নেই।

টুইটার বার্তায় জারিফ বলেন, “কোনো কোনো আরব শাসক মনে করছেন তারা যদি (ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন) নেতানিয়াহুর তাবেদারি করেন তাহলে তারা তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবেন।” ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আরো বলেন, “ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী তার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম থাকা সত্ত্বেও (ফিলিস্তিনি সংগ্রামীদের রকেট হামলা থেকে) ইসরাইলকে রক্ষা করতে পারেননি।

তাহলে তিনি কীভাবে আরব শাসকদের রক্ষা করবেন?” এর আগে বুধবার মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ আরেকটি টুইটার বার্তায় বলেছিলেন, জেরুজালেম আল-কুদস ফিলিস্তিনি জনগণের সম্পদ। এটি ইহুদিবাদী ইসরাইল বা আমেরিকার সম্পদ নয় যে তারা এ নগরীর ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন।

তিনি বলেন, আল-কুদস যেমন আমেরিকার নয় তাই এটি ইসরাইলকে দিয়ে দেয়ার কোনো অধিকার তার নেই তেমনি এই নগরী ইসরাইলেরও সম্পদ নয় যে, সে জোর করে এর মালিকানা গ্রহণ করবে।

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে