এবার ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল আমেরিকা

তেলের পাশাপাশি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ইরানের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম বড় খাত তেলের পাশাপাশি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ইরানের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম বড় খাত ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকার

ইরান-বিদ্বেষী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ইরানের পেট্রোকেমিকাল শিল্প ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইরানের বৃহত্তম পেট্রোকেমিক্যাল হোল্ডিং

গ্রুপ- পার্সিয়ান গাল্‌ফ পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি বা পিজিপিআইসি’সহ বেশ কিছু কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় স্থানীয় সময় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’কে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার দায়ে দেশটির পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পকে টার্গেট করা হয়েছে।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় একইসঙ্গে আরো ৩৯টি সহযোগী কোম্পানিকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনে এগুলোকে ইরানের ‘বিদেশ-ভিত্তিক বিক্রয় এজেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

ওয়াশিংটন সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, পিজিপিআইসি বা এর সহযোগী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেনকারী বিদেশি কোম্পানিগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মানুচিন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মানুচিন বলেছেন, আইআরজিসি’কে আর্থিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দানকারী সব কোম্পানি ও হোল্ডিং গ্রুপকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের মে মাসে পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে তার দেশকে বের করে নেন এবং ওই বছরের নভেম্বরে ইরানের ওপর আমেরিকার আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনর্বহাল করেন। এরপর থেকে ইরানের বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। সুত্র: পার্সটুডে

১ হাজার অসহায় ও যুদ্ধ বিধ্বস্ত শিশুর অস্ত্রোপচারের দায়িত্ব নিলেন ওজিল

গতকাল (শুক্রবার) তুরস্কে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন ওজিল ও অ্যামিনে। প্রধান অতিথি হিসেবে বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসপে তাইয়েপ এরদোয়ান ও তার স্ত্রী এমিনে।

মানুষের জীবনে বিয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় খুব কমই আসে। তবে মেসুত ওজিল ও তার স্ত্রী অ্যামিনে গালস তাদের বিয়ের দিনটিকে আরও স্মরণীয় করে রাখলেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ার আহত শিশু এবং অসহায় ও দুঃস্থদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে।

এ ছাড়াও বিয়েতে অতিথি হিসেবে অনেক গণ্যমান্য মানুষ উপস্থিত হন। তবে আগত এই অতিথিদের কাছ থেকে কোনো চিরাচরিত উপহার নয়; ওজিল ও অ্যামিনে দাতব্য কাজের জন্য তাদের কাছ থেকে অর্থ-সহয়তা চান।

জানা গেছে, আগুনে পোড়া শিশুসহ পা, ঠোঁট ও তালুর সমস্যায় ভোগা প্রায় ১ হাজার রোগীর অস্ত্রোপচারের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছেন ওজিল ও গালস দম্পতি।

তবে এই প্রথম নয়; এর আগেও বহুবার দাতব্য কাজে নিজেকে জড়িত রেখেছিলেন ওজিল। ২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ের পর তিনি টুর্নামেন্ট থেকে পাওয়া তার পুরো ২ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডই দান করেন ব্রাজিলের ২৩ শিশুর অস্ত্রোপচারের জন্য।

এবারের অর্থ সংগ্রহ নিয়ে ওজিল বলেন, ‘পেশাদার ফুটবলার হওয়ায় আমি অনেক সৌভাগ্যবান এবং সমাজে ভালো একটি অবস্থানে আছি। আমি সকলকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, যারা পারবেন খুশি মনে এই বিশেষ সহয়তা কাজে এগিয়ে আসবেন।

আমি এবং অ্যামিনে ১০০০ শিশুর অস্ত্রোপচারের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছে তার পূর্ণতা দানের জন্য এখনো সহায়তা একান্ত প্রয়োজন।’ এদিকে বিয়ে উপলক্ষে, তুরস্কের রেড ক্রিসেন্টে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ও উদ্বাস্তুদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। প্রায় ১৫ হাজার সিরিয়ান অভিবাসীকে নৈশভোজ করানো হয় এই বিয়ে উপলক্ষে।

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে