জীবন গেলেও এই ‘দুর্নীতিবাজ চোরগুলোকে’ ছাড়ব না: ইমরান খান

ইমরান খান বলেন, “আমি আন্দোলনের ভয়ে ভীত হব না, আমাকে ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না এমনকি আমার জীবনও যদি চলে যায় তবু আমি এই চোরগুলোক ছাড়ব না। আমি আল্লাহর কাছে মুনাজাত করেছি- আমাকে একটিবার সুযোগ দিন- আমি তাদেরকে ছাড়ব না।”

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, যেসব দুর্নীতিবাজ রাজনীতিক দেশকে ভয়াবহ ঋণের মধ্যে ফেলেছেন তাদেরকে বিচার আওতায় আনা হবে, কাউকে ছাড়া হবে না। গতরাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

জাতীয় সংসদে বার্ষিক খসড়া বাজেট পেশ ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে আটকের পর তিনি এ ঘোষণা দিলেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন, পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের বিরোধী নেতা হামযা শাহবাজ ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি।

এছাড়া, লন্ডন পুলিশ মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা আলতাফ হুসেইনকে আটক করেছে। হামযা শাহবাজ ও আসিফ আলী জারদারিকে পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টাবিলিটি ব্যুরো আটক করে।

আসিফ আলী জারদারি ইমরান খান বলেন, দেশের অর্থনীতিকে কিছুটা স্থিতিশীল করার পর এখন তিনি দুর্নীতিবাজ রাজনীতিকদের দিকে নজর দেবেন। তিনি বলেন, দেশকে যারা এই ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে ফেলেছে তিনি তাদের দিকে বেশি গুরুত্ব দেবেন।

এজন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিশন গঠন করা হবে। তিনি বলেন, এ কমিশনের প্রধান কাজ হবে কীভাবে দুর্নীতিবাজরা গত ১০ বছরে দেশের ঘাড়ে ২৪ হাজার বিলিয়ন রুপি ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে তা তদন্ত করে বের করা।

“আরব আমিরাত দ্বিতীয় ইসরাইল হওয়ার চেষ্টা করছে”

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, শত শত কোটি ডলারের অস্ত্র কেনার মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় ইসরাইল হওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি এ ধরনের অস্ত্র কেনার সমালোচনা করেন। গতকাল (মঙ্গলবার) আল-আরবি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জারিফ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশ বিশ্বাস করে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক রাখলেই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

কিন্তু তাদের এই চিন্তা ভুল কারণ আমেরিকা থেকে আমদানি করা অস্ত্র ইসরাইলের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবহৃত হবে। গবেষণা রিপোর্টগুলো বলছে, ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সংয়ুক্ত আরব আমিরাত অস্ত্র আমদানি শতকরা ৬৩ ভাগ বাড়িয়েছে।

এছাড়া, দেশটির সামরিক ব্যয় ২০২১ সাল নাগাদ ৩১৮০ কোটি ডলারে নেয়ার পরিকল্পনা করেছে। ২০১৬ সালে এ ব্যয় ছিল ২৩৬০ কোটি ডলার। দেশটি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশ ইয়েমেন, সিরিয়া ও লিবিয়ায় হস্তক্ষেপমূলক নীতি অনুসরণ করছে। একই রকমের নীতি অনুসরণ করছে সৌদি আরবও। সুত্র: পার্সটুডে

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে