হামাসকে স’ন্ত্রা’সী সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে ইউরোপীয় আদালত!

0

ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র হাজিম কাসিম বলেছেন, তাদের সংগঠনকে স’ন্ত্রা’সী তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে ইউরোপীয় আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা ইতিবাচক। তিনি বলেন, সিদ্ধান্তটি ইতিবাচক, তবে আমরা আশা করছি এ ধরনের সব তালিকা থেকে হামাসের নাম বাদ দেওয়া হবে।

হাজিম কাসিম বলেন, দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইন ও বিভিন্ন কনভেনশনে এ ধরনের প্রতিরোধ সংগ্রামকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, হামাসসহ ফিলিস্তিনের যেকোনো সংগ্রামী সংগঠনকে স’ন্ত্রা’সী তালিকাভুক্ত করা অন্যায় ও বেআইনি। কারণ দখলদারদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য অধিকার। হামাসের মুখপাত্র আরও বলেন, যতদিন পর্যন্ত ফিলিস্তিন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত না হবে এবং

ফিলিস্তিনিদের অধিকার পুরোপুরি আদায় না হবে ততদিন হামাসের সংগ্রাম চলবে। গত শুক্রবার হামাসের আইনজীবী খালিদ আল শোওলি জানিয়েছেন, লুক্সেমবুর্গ ভিত্তিক ইউরোপীয় আদালত হামাস এবং হামাসের সামরিক শাখা ইয্যাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেডকে স’ন্ত্রা’সী তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।

সমাবর্তনে বোরকা পরার কারনে ফার্স্ট ক্লাস ছাত্রীকে সার্টিফিকেট দেয় নি ভারত

স্নাতক স্তরের সমাবর্তনে বোরকা পরে এসেছিলেন ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হওয়া ছাত্রী। আর বোরকা পড়ে আসায় সেরা গ্র্যাজুয়েটকেও দেয়া হলো না ডিগ্রির সার্টিফিকেট। কর্তৃপক্ষের দাবি, কলেজের সমাবর্তনে আসতে হলে নির্দিষ্ট ড্রেস কোড মেনে আসতে হয়।

ওই ছাত্রীটি সেই ড্রেস কোড না মেনে আসায়, তাকে ডিগ্রির সার্টিফিকেট দেয়া হয়নি। আর এ ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাজধানী রাঁচির মাড়ওয়ারি কলেজ। নিশাত ফতিমা নামের ওই ছাত্রী মারওয়াড়ি কলেজে নিজের বিভাগে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছিলেন।

পরীক্ষায় প্রথম হওয়ায় স্বর্ণপদক তারই পাওয়ার কথা ছিল। সেই মতো সমাবর্তনে নিজের পরিবারের সঙ্গে এসেছিলেন ফতিমা। বাবা-মায়ের সঙ্গে অপেক্ষা করছিলেন দর্শকদের মধ্যে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই তার পদক পাওয়ার কথা ছিল।

সেই মতো তার নামও ঘোষণা করা হয়। নিশাত ফতিমা পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠতেই ঘোষণা করা হলো, নিশাত এই পুরস্কার পাবেন না কারণ, তিনি ‘ড্রেস কোড’ মেনে পোশাক পরেননি। উল্লেখ্য, আগে থেকেই কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছিল, সমাবর্তনে প্রত্যেককে ‘ড্রেস কোড’ মেনে পোশাক পরে আসতে হবে।

‘ড্রেস কোড’ হিসেবে ছেলেদের জন্য কুর্তা-পাঞ্জাবি এবং মেয়েদের জন্য সালোয়ার স্যুট বা শাড়ি পরা বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু নিশাত ইসালমের রীতি অনুযায়ী বোরকা পরে কলেজ আসেন।

নিশাতের বাবা মহম্মদ ইকরামুল বলছেন, মুসলিম রীতি অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য কোনো জনবহুল এলাকায় যেতে হলে মেয়েদের বোরকা পরতে হয়। কিন্তু, তার কথাতেও কাজ হয়নি শেষপর্যন্ত নিশাতকে কোনো সার্টিফিকেট দেয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদের এসআরকে কলেজে মেয়েদের বোরকা পরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, বোরকার আড়ালে কলেজে দেশবিরোধী লোকজন ঢুকে পড়ছে। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানায় মুসলিম বুদ্ধিজীবীমহল।