টুইনটাওয়ারে হা’মলার নামে আফগানিস্তানে লক্ষ লক্ষ মুসলিমকে গণহ’ত্যা !

0

মারণা’স্ত্রের নামে ইরাকে লক্ষ লক্ষ মুসলিমকে হ’ত্যা, ফিলিস্তিনীদের ভূমি দখলকে ধামাচাপা দিতে আ’ইএস সৃষ্টি, নানা অজুহাতে লিবিয়ায় গৃহযু’দ্ধ বাধিয়ে লক্ষ লক্ষ মুসলিমকে হ’ত্য। জুম্মার নামাজে সমজিদে গিয়ে খুদবাতে শুনতাম ইমাম সাহেবে আহাজারি।

নি’র্যাতিত, অ’ত্যাচারিত, নিষ্পেষিত মুসলিমদের নিয়ে আল্লাহুর কাছে দূয়া। আল্লাহু এই অসহায় মজলুম মুসলিম জনপদকে দেখার জন্য তোমার তরফ থেকে আমাদের জন্য বন্ধু পাঠাও। ওসমানী সম্রাজ্যের কাছে ক্রুসেডররা পারজিত হয়ে শত বছর ধরে তারা শুধু কূটবুদ্ধি দিয়ে অটোম্যান সম্রাজ্যকে ভেঙ্গে তছনছ করেছে পশ্চিমারা।

তাদের সুবিধা মতো কোথাও গণতন্ত্র আবার কোথাও একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে শুধু মুসলিমদের শোষণ করেছে। ওসমানী সম্রাজ্যের পতনের পর মুসলিমরা শুধু অ’ত্যাচারী আর শোষীত হয়ে আসছে। যে তুরস্ক থেকে ইসলাম বিজয়ী নিশান ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া আজ আমার বাংলাও সেই বিজয়ের নিশান।

কিন্তু কামাল পাশা সেই তুরস্কে ধর্মনিরপেক্ষতা মতবাদ প্রতিষ্ঠা করে ইসলামের কবর রচনা করেছিলো। এই অসহায় মুসলিমদের আত্ন-চিৎকারে যেন আল্লাহু ষাঁড় দিয়েছে। সেই তুরস্কে আবারও উত্থান কত ঘাত- প্রতিঘাতের মধ্যদিয়ে মুসলিমদের মুক্তির দিশারি এরদোগানের । তিনি এরদোগান ধুয়ে মুছে দিয়েছে কামাল পাশার ধর্মনিরপেক্ষাত – ডারউইনের মতবাদ।

বিশ্বের যেখানে আজ মুসলিমরা প্রকৃতিক দুর্যোগের, অন্য জাতির, অন্য দেশের, অন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত সেখান -ই এরদোগান উপস্থিত হংকার আর প্রতিবাদের মধ্যদিয়ে। এযেন আল্লাহুর রহমত স্বরুপ। এরদোগান ইউক্রেন সফরে গিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।

এখানে কি স্বার্থ আছে এরদোগানে ও তুরস্কের ? রাশিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এস-৪০০ দিতে এখন ঝামেলা করছে রাশিয়া।? এরদোগান তিনি তার নিজের দেশ ও নিজের স্বার্থ দেখেনি তিনি দেখেছে মুসলিম উম্মাহ, তিনি রাশিয়ার বুকে চাবুক ঢুকিয়ে দিয়েছে। রাশিয়া বার্মা সমর্থন করে মুসলিমদের যে আঘাত দিয়েছে এটাই তার জবাব।

তুরস্ক আজ এক ভয়ঙ্কর স্থানে অবস্থান করছে। আমেরিকা সাথে দ্বন্দ্ব, ইউরোপের সাথে দ্বন্দ্ব, রোহিঙ্গা নিয়ে চীন রাশিয়ার সাথে দ্বন্দ্ব, আর কাতার নিয়ে ইসরাইল – আরবদের সাথে দ্বন্দ্ব। সামনে কি তাহলে রাসুলে ভবিষ্যৎ বানী অপেক্ষা করছে। কি বলেছিলেন তিনি হযরত মুহা: (স)?- রাসুল(স) বলেছিলেন – তাঁর সময় প্রথম নবুয়াতের যুগ, তারপর খেলাফাতের যুগ,

তারপর মেহমান রাজতন্ত্র ও জুলুমতন্ত্র আসবে এরপর আসবে আবারও খেলাফাতের আলামিন হাজির যুগ। মুসলিমরা এই খেলাফাত বিজয়ী করবে একটি ভয়াবহ যু’দ্ধের মাধ্যমে দিয়ে সেই যু’দ্ধে মুসলিমদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে। এবং সেই যুদ্ধে খেলাফাতের জন্য অল্পসংখ্যক মুসলিম ময়দানে যু’দ্ধ করবে তারা হবে সৎ সংগ্রামী খেলাফত চালানোর যোগ্য।

আল্লাহু ওয়াদা তিনি তাদের হাতে খেলাফত দান করবেন। আজ মুসলিমদের মুক্তির দিশারি এরদোগান যদি সেই খেলাফাত বিজয়ের সিপাহশালা হয় তবে আগামি দিনে খেলাফত বিজয়ের জন্য।??

একমাএ ‘রবই’ জানেন।

৪০ দিন ফজর নামাজ পড়লেই সাইকেল ফ্রি!

হাজি স্যার ইসমাইল সাইত মসজিদ। ভারতের বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত। এ মসজিদে যে বাচ্চারা নিয়মিত ৪০ দিন ফজর নামাজ পড়বে তাদের জন্য পুরস্কার হিসেবে রয়েছে বাইসাইকেল। এ ঘোষণার পর বাচ্চাদের মধ্যে শুরু হয় নামাজ পড়ার প্রতিযোগিতা।

গত ৩ নভেম্বর পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে নতুন ব্র্যান্ডের বাই সাইকেল দেয়া হয়। বাচ্চাদেরকে নামাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে এ উদ্যোগ নিয়েছিল বেঙ্গালুরুর স্থানীয় হাজি স্যার ইসমাইল সাইত মসজিদ কমিটি। বেঙ্গালুরুর স্থানীয় মসজিদে নিয়মিত ৪০ দিন ফজরের নামাজ পড়লেই বাচ্চারা পাবে নতুন ব্র্যান্ডের এ সাইকেল।

পুরস্কার হিসেবে নতুন সাইকেল দিতে স্পন্সরশিপ ব্যবস্থা হাতে নিয়েছিল হাজি স্যার ইসমাইল সাইত মসজিদ কমিটি। নিয়মিত ৪০ দিন ফজরের নামাজ আদায়ের এ ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ আহ্বান করার পর ২ শাতাধিক শিশু ৪০ দিনের এ ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণে সাইনআপ (রেজিস্ট্রেশন) করে।

তবে যারা নিয়মিত ৪০ দিন ক্যাম্পেইনটি অংশগ্রহণ করতে পারেনি তাদের জন্যও ছিল পুরস্কার। তারা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ঘড়ি।
নামাজের প্রতি শিশু-কিশোরদের আগ্রহ বাড়াতে আরও যারা এ উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে তাদের মধ্যে রয়েছে- পাকিস্তান, মিসর, মালয়েশিয়া, তুরস্ক এবং ইংল্যান্ড। নিঃসন্দেহে এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।