জামায়াতের নতুন সংগঠনের নাম “জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ” আত্মপ্রকাশ !

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত নেতা এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে নতুন একটি রাজনৈতিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।

এ দলের নামকরণ করা হয়েছে ‘জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ’।শনিবার এ খবর জানিয়েছে বাংলাদেশের স্থানীয় গণমাধ্যম।

শনিবার রাজধানীর হোটেল ৭১-এ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠন শুরুর ঘোষণা দেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।

মঞ্জু দাবি করেন, এই রাজনৈতিক সংগঠন ধর্মীয় সংগঠন হবে না। দেশের সব জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করবে তাদের এই সংগঠন।

তিনি জানান, আত্মপ্রকাশ করা এই সংগঠন ধরে পূর্ণাঙ্গ দল গঠনে পাঁচটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।এসব কমিটি তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে।’

প্রসঙ্গত, একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরুর পরই চাপে পড়া জামায়াতের মধ্যে একটি অংশ দলে সংস্কারের দাবি তোলে। এরই মধ্যে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুর রাজ্জাক গত বছর এরই জেরে পদত্যাগ করেন।এবং মজিবুর রহমান মঞ্জুকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো দুই যুদ্ধজাহাজ
বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ‘সংগ্রাম’ ও ‘প্রত্যাশা’ নামে দুটি যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হয়েছে।চীন থেকে এ জাহাজ দুটি আনা হয়েছে।শনিবার চট্টগ্রাম নেভাল জেটিতে এসে পৌঁছায় জাহাজ দুটি।এ খবর জানিয়েছে বাংলাদেশের স্থানীয় গণমাধ্যম।

জাহাজ দুটির আগমন উপলক্ষে নেভাল জেটিতে চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চল কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আবু আশরাফ, বিএসপি, এনসিসি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক নাবিক উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর বা আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য নবনির্মিত জাহাজ বানৌজা সংগ্রাম ও বানৌজা প্রত্যাশার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১১ মিটার।

জাহাজ দুটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়,শত্রুবিমান, জাহাজ এবং স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম জাহাজ দুটি আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন কামান, ভূমি থেকে আকাশে এবং ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য মিসাইল,

অত্যাধুনিক থ্রিডি র্যাডার, ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, র্যাডার জ্যামিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধসরঞ্জামাদিতে সুসজ্জিত।

এছাড়া, জাহাজ দুটিতে হেলিকপ্টার অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য ডেক ল্যান্ডিংসহ অন্যান্য সুবিধারয়েছে।

গভীর সমুদ্রে দীর্ঘসময়ব্যাপী মোতায়নযোগ্য এ জাহাজ দুটির মাধ্যমে বিশাল সমুদ্র এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও জলদস্যুতা রোধ, সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতা, সুনীল অর্থনীতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনাসহ মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি তেল, গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বরাদ্দকৃত ব্লকসমূহের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য গণচীনে নির্মিত দুটি করভেট নির্মাণের লক্ষ্যে চীনের শিপবিল্ডিং অ্যান্ড অফশোর ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর পরের বছর ৯ আগস্ট জাহাজ দুটির স্টিল কাটিংয়ের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

সুত্র: arabianjournal

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে