বদরের চেতনায় ভোটারহীন সরকারেরর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে হবে – চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, বদরযুদ্ধ অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে হকের লড়াই। বদর যুদ্ধের চেতনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান ভোটারহীন সরকারেরর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে হবে। ইসলাম একটি সাধারণ সৃষ্টির স্বাধীনতাও নিশ্চিত করেছে।

অথচ বর্তমান সময়ে মানুষেরও স্বাধীনতা নেই। মানুষের বাক-স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হলে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, কৃষি প্রধান দেশে আজ কৃষকরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কৃষির এই অর্থনৈতিক সেক্টরের অস্তিত্ব আজ বিলীন হবার পথে।

এক শ্রেণির সিন্ডিকেটদের হাত আজ এই সেক্টর জিম্মী হয়ে আছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে রাজধানীর কাজী বশির মিলনায়তনে

‘ঐতিহাসিক বদরের চেতনা ও মুসলিম বিশ্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মহিফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ ইমতিয়াজ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী,

মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম,

নগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, ছাত্রনেতা এম হাসিবুল ইসলাম, ডা. শহিদুল ইসলাম, প্রকৌশলী জোবায়ের হোসেন, হুমায়ূন কবীর, মুফতী শেখ নূরউন নাবী, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, এইচ এম সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা প্রমুখ।

সুত্র: ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ইচ্ছেকৃত ভাবে রোজা না রাখলেই গ্রেফতার করছে মালেয়শিয়া পুলিশ!

রোজা না রাখলেই গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠাচ্ছে মালেয়শিয়া পুলিশ রোজা না রাখলেই গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠাচ্ছে মালেয়শিয়া পুলিশ রোজা না রাখলেই মুসলমানদের ধরে ধরে কারাগারে পাঠাচ্ছে মালেশিয়া পুলিশ। আর এর জন্যে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করছে।

কখনো হোটেলের খাবার পরিবেশক, কখনো বা রান্নাঘরের পাচক। আজ বৃহস্পতিবার কুক ও ওয়েটারের ছদ্মবেশ ধারণ করে কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালান তাঁরা। এ ঘটনাকে ‘অপমানজনক’ বলে অভিহিত করেছেন অধিকার রক্ষা আন্দোলনকারীরা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে লোকাল কাউন্সিলের ৩২ জন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা অভিযান পরিচালনা করছেন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাঁরা ছদ্মবেশে খাবারের দোকানগুলোতে নজরদারি চালাচ্ছেন। দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমস পত্রিকা এ খবর প্রকাশ করেছে।

মালয়েশীয় মুসলমানরা ঐতিহ্যগতভাবে ইসলামের সহনশীল রূপ অনুসরণ করে আসছে। সমালোচকরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেদেশে রক্ষণশীল মনোভাব বিস্তার লাভ করেছে।

অভিযান দলের সদস্যরা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় জোহর স্টেটের সেগামাত জেলার ১৮৫টি খাবারের দোকানে ছদ্মবেশে কাজ করবেন। ওই অঞ্চলের জনপ্রিয় খাবার আইটেম ভালো রান্না করতে পারেন এমন দুইজন কর্মকর্তা কাজ করবেন এক একটি দোকানে।

এরপর রোজা রাখেননি এমন কেউ খাবারের অর্ডার দিলেই ধরা হবে তাদের। সেগামাত পৌর কাউন্সিলের সভাপতি মোহাম্মদ মাসনি ওয়াকিমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা বিশেষভাবে কর্মকর্তা নির্বাচিত করেছি যাদের গায়ের রং কালো। কেননা, এখানে কালোরাই এই পেশায় বেশি নিয়োজিত।

তিনি বলেন, ‘ছদ্মবেশী কর্মকর্তারা ইন্দোনেশিয়ান ও পাকিস্তানি ভাষাও ভালো বলতে পারেন যাতে রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকানে আগতরা বিশ্বাস করে তারা সত্যিকার কুক বা ওয়েটার। মালয়েশিয়ার কোনও কোনও এলাকায় ইসলামী ও সাধারণ- দুই রকম আইন চালু রয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে জোহর স্টেটে কোনও সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমান রোজা না রাখলে ছয় মাসের জেল ২৫০ ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

দেশটিতে সিসটারস ইন ইসলাম নামের একটি সংগঠন সেখানকার মুসলমান নারীদের অধিকার রক্ষায় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটি রোজা নিয়ে বিদ্যমান আইনকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি করছি, এই ধরনের লজ্জাজনক গুপ্তচরবৃত্তি বন্ধ করার।

এই ঘটনা অন্য ধর্মের মানুষের কাছে ইসলাম সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দেবে।’ মালয়েশিয়ায় ৬০ মিলিয়নেরও বেশি অধিবাসী মালয়েশীয় মুসলমান এবং ৬০ শতাংশেরও বেশি সংখ্যক চীনা ও ভারতীয় যারা মুসলমান নয়।

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে