ভোলায় তৌহিদী জনতার উপর হা’মলা; কওমী ফোরামের প্র’তিবাদ

0

ভোলার বোরহান উদ্দীন উপজেলায় ফেসবুকে স্থানীয় হিন্দু যুবক কর্তৃক আল্লাহ ও মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারীর শাস্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে পুলিশের গু’লিতে কমপক্ষে ৪ জন শহীদ এবং শতাধিক ব্যক্তিকে গুরুতর আ’হত করার প্রতিবাদ জানিয়েছে কওমী ফোরাম।

গতকাল অপরাহ্নে কওমী ফোরামের সমন্বয়ক মাওলানা হাসান জামিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফোরামের এক জরূরী বৈঠকে এ প্র’তিবাদ জানানো হয় । বৈঠকে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক, মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী, মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মুফতী এনায়েতুল্লাহ্, মাওলানা মুরতাজা হাসান ফয়েজী প্রমুখ।

বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, কিছুদিন পরপর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আল্লাহ আল্লাহর রাসূল এবং ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় তোতাপাখির মত গদবাধা কথায় বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়া এবং অপরাধীর জঘন্য অপরাধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা হয়।

তাঁরা বলেন, বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, ভোলার বোরহানউদ্দিনে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিপ্লব কুমার শুভ নামক দুরাচার তার ফেসবুক আইডি থেকে মুসলমানদের আস্থা, আনুগত্য এবং ভালবাসার জায়গা, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হযরত মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জড়িয়ে জঘন্য কটুক্তি করে।

এর প্রতিবাদে ও তার বিচারের দাবিতে সকালে বোরহান উদ্দিনের তৌহিদী জনতা শান্তিপূর্ণ প্র’তিবাদ এবং বি’ক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। কিন্তু তাদের সেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি বানচালের জন্য প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা কোন একটি মহল প্রোগ্রাম বাধাগ্রস্ত করে এবং শান্তিপ্রিয় জনতাকে উস্কে দেয়।

এরপর তারা উন্মত্ত রক্ত পিপাসুর মতো নির্বিচার গু’লিব’র্ষণে মেতে ওঠে। প্রশাসনিকভাবে চারজন প্রতিবাদী জনতার মৃ’ত্যুর কথা স্বীকার করা হলেও স্থানীয় সাংবাদিক এবং প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণে আরো বেশি সংখ্যক মানুষের মৃ’ত্যুর সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। সেই সাথে মারাত্মকভাবে আ’হত হয়েছে শতাধিক তৌহিদী জনতা।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আমাদের সুস্পষ্ট দাবি, শতকরা নব্বইভাগ মুসলমানের দেশে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের এরকম দুঃসাহস কিভাবে হয় যে, ইসলামের মহানবীকে কটূক্তি করে এবং সমাজে বিভক্তি এবং হানাহানির পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। সর্বোপরি জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতনভুক্ত পুলিশ বিভাগের এত বড় দুঃসাহস কিভাবে হয় যে, নিজের দেশের জনগণকে তারা পাখির মতো হ’ত্যা করে?

এই ঘটনা নিয়ে যদি কোনো রকম টালবাহানা করা হয় অথবা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করা হয় এবং তার প্রতিক্রিয়ায় দেশে যদি কোনো রকম অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে এর দায়ভার সম্পূর্ণরূপে সরকার এবং প্রশাসনকেই বহন করতে হবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা অবিলম্বে বিপ্লব শুভর ফাঁ’সি দাবি করছি।

এ নৃশংস হ’ত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তপূর্বক যারা এর জন্য দায়ী, তাদেরকে কঠিন শাস্তি দিতে হবে। সর্বোপরি আল্লাহ, আল্লাহর রাসূল এবং ইসলাম নিয়ে কটুক্তিকারীদের জন্য অবিলম্বে ফাঁ’সির বিধান প্রণয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থা করতে হবে।

গতকাল অপরাহ্নে কওমী ফোরামের সমন্বয়ক মাওলানা হাসান জামিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফোরামের এক জরূরী বৈঠকে এ প্র’তিবাদ জানানো হয় । বৈঠকে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক, মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী, মুফতী সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মুফতী এনায়েতুল্লাহ্, মাওলানা মুরতাজা হাসান ফয়েজী প্রমুখ।

বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, কিছুদিন পরপর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আল্লাহ আল্লাহর রাসূল এবং ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় তোতাপাখির মত গদবাধা কথায় বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়া এবং অপরাধীর জঘন্য অপরাধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা হয়।