পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে আ’ন্দোলনে নেমেছেন ক্রিকেটাররা !

0

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে পারিশ্রমিক বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন ক্রিকেটাররা। দাবি না মানা পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

দেশের ক্রিকেট সঠিক কক্ষপথে নেই। বিপিএলে পারিশ্রমিক কমছে ক্রিকেটারদের! চলমান জাতীয় ক্রিকেট লিগেও (এনসিএল) তাদের ম্যাচ ফি বাড়েনি! অন্য সুযোগ-সুবিধাও পাচ্ছেন না তারা। গত কয়েক বছরে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) তাদের পারিশ্রমিক কমেছে। সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

এগুলোসহ আরও অনেক দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রিকেটাররা। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাকিব আল হাসান। সোমবার বিকালে মিরপুরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি ১ লাখ টাকা দাবি করেন অন্যতম বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

এসময় তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, রুবেল, আবু হায়দার, সাব্বির থেকে শুরু করে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা উপস্থিত ছিলেন। হাজির ছিলেন ঘরোয়া ক্রিকেটাররাও। মাশরাফি বিন মুর্তজাও যোগ দিতে পারেন এ প্রতিবাদে।

এদিন দুপুরে বিসিবিতে এসে জমায়েত হন ক্রিকেটাররা। শুরুতে মিরপুর স্টেডিয়ামে এসে বিসিবির কাছে নিজেদের দাবি-দাওয়ার কথা জানান তারা। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন খেলোয়াড়রা। দাবি-দাওয়া না মানলে ধর্মঘটে যাবেন তারা।

ইমরান খানের শান্তির উদ্যোগে সৌদির সাড়া ইতিবাচক: কোরাইশি

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরাইশি বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা লাঘবে ইমরান খানের চেষ্টায় ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে সৌদি আরব। শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি সুযোগ দিতে রিয়াদ একমত হয়েছে বলেও জানালেন তিনি। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ডনের খবর থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি নেতৃবৃন্দ ইতিবাচকভাবে সাড়া দিয়েছেন। তারা একমত পোষণ করেছেন যে কূটনৈতিক পথই বেছে নিতে হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করতে হবে। সৌদি সফরে দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইমরান খান।

খবরে বলা হয়েছে, রিয়াদে পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ইরানি মানসিকতা ও পরিস্থিতি নিয়ে ইসলামাবাদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। গত রোববার ইমরান খান তেহরান সফরে গেলে দেশটির নেতৃবৃন্দ তার চেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এক সাক্ষাৎকারে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ বলেছেন, সরাসরি কিংবা মাধ্যম ব্যবহার করে সৌদির সঙ্গে আলোচনায় তার দেশ প্রস্তুত। কোরাইশি বলেন, আলোচনার মূল বক্তব্য তুলে ধরতে চাইলে আমাকে বলতে হবে যে, এ অঞ্চলজুড়ে পুঞ্জীভূত হওয়া যুদ্ধ ও সংঘাতের মেঘ কেটে গেছে।

মূলত আঞ্চলিক সংঘাত এড়াতে ভূমিকা রাখতেই ইমরান খানের এই সফর, জানিয়ে কোরাইশ বলেন, কারণ যে কোনো সংঘাত এ অঞ্চল ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি বয়ে আনবে। ইয়েমেনে একটি অস্ত্রবিরতির সম্ভাবনাও উজ্জ্বল বলে জানিয়েছেন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী।