আল আকসা রক্ষায় প্রয়োজনে ইহুদীদের বিরুদ্ধ যুদ্ধের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে

উদীয়মান ইসলামি শক্তি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেছেন, পবিত্র জেরুজালেমে ইহুদিদের যে কোন যুদ্ধের সম্ভাবনা কে তুরস্ক প্রত্যাখ্যান করে।

কোরআনের পাখি এরদোগান আরো বলেন, পবিত্র ভূমি জেরুজালেমের প্রতি আমাদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। আমরা যদি আল আকসা কে রক্ষা করতে না পারি, তাহলে মক্কা মদিনা কে ও রক্ষা করতে পারবো না। ইসলামী রাজনীতির দূরদর্শী জ্ঞান সম্পন্ন মুজাহিদ এরদোগান শনিবার CICA পঞ্চম সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

এশিয়ার ২৭টি দেশ নিয়ে গঠিত ‘কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া (CICA)
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রসারে কাজ করে সিআইসিএ। কাজাখস্তানের রাজধানী নুর সুলতানে এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত।

বর্তমানে ২৭টি দেশ এই সংস্থার সদস্য। সদস্য দেশগুলো হলো- আফগান্স্তিান, আজারবাইজান, বাহরাইন, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চায়না, মিশর, ভারত, ইরান, ইরাক,ইসরাইল, জর্ডান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, মঙ্গোলিয়া, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাজিকিস্তান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম।

এছাড়া বেলারুশ, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, লাওস, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, ইউক্রেইন এবং যুক্তরাষ্ট্র এর পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে। জাতিসংঘ ছাড়াও আন্তর্জাতিক অভিবাসনসংস্থা-আইওএম, লিগ অব আরব স্টেটস, অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কোঅপারেশন ইন ইউরোপ, পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলি অব দ্যা টার্কিক স্পিকিং কান্ট্রিজ সিআইসিএর পর্যবেক্ষক।

CICA এর সম্মেলনে বর্তমান সময়ের উদীয়মান ইসলামী শক্তি এরদোগান বলেন, বর্তমান তুরস্ক সারা বিশ্বে নিপীড়িত মানুষের পক্ষে সব সময় সোচ্চার থাকবে। আমরা সারা বিশ্বে নিপীড়িত মানুষদের রেকর্ড পরিমাণ সাহায্য-সহযোগিতা করে চলেছি।

মজলুম মুসলিমদের পক্ষের শক্তি এরদোগান জাতিসংঘ সহ সকল বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা ফিলিস্তিনিদের ইতিহাস দেখুন এবং ফিলিস্তিনের ইতিহাসের সঙ্গে বর্তমানের অবস্থা তুলনা করুন। দেখবেন দখলকারীরা ফিলিস্তিন দখল করে নিয়ে যাচ্ছে। সেখানের মানুষ অর্ধাহারে-অনাহারে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে, তাদের ঘরে আজ তারা পরবাসী।

কোরআনের পাখি এরদোগান আরো বলেন, পবিত্র জেরুজালেম মহা সংঘর্ষের মাঝামাঝি অবস্থান করছে। এর থেকে পরিত্রাণের সম্ভাব্য উপায় হচ্ছে দখলদারদের 1967 সালের আগের অবস্থানে ফিরে যেতে হবে। রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান

আরো সংবাদ

ওমান উপসাগরে তেলের ট্যাংকারে হামলার নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক

ওমান উপসাগরে গতকাল বৃহস্পতিবার দুইটি তেলের ট্যাংকারে হামলার নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক। আজ শুক্রবার (১৪ জুন) তুর্কী পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ওমান উপসাগরে এক মাসের মধ্যে বানিজ্যিক তেলের ট্যাংকারে দুইবার হামলা করা হয়েছে। এতে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আমরা উপসাগরীয় অঞ্চলে নৌপথে নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েছি। এতে আন্তর্জাতিক নৌযান সংক্রান্ত কৌশলগত অবস্থান রয়েছে। দুটি তেলের ট্যাংকার মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও পানামার পতাকাবাহী যথাক্রমে সৌদি ও কাতার থেকে তাইওয়ান ও সিঙ্গাপুর যাচ্ছিলো।

আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পোম্পেও এক বিবৃতিতে এ হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করেন। কিছুদিন আগেও আরব আমিরাতের তেলের ট্যাংকারে হামলায় ইরানের হাত ছিল বলে তিনি দাবী করেন।

তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খোমেনির সাথে সাক্ষাতকালে এমন হামলা নিশ্চয়ই সন্দেহজনক। এতে ইরানের কোনো হাত নেই বলে দাবী করেন।

এ হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সৌদি হুতি সন্ত্রাসীদের দায়ী করেছে। তাদের দাবী এ হামলায় ইরানের ইন্ধন ছিল।

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে