সংবিধান ও ইসলামে জুয়া নিষিদ্ধ; এটা জায়েজ করার কোন সুযোগ নেই : মেয়র নাছির

0

জুয়ার আসর বসিয়ে, মদের আসর বসিয়ে, ক্যাসিনো বসিয়ে ক্লাব পরিচালনার কথা কোথাও নেই। সংবিধান ও ইসলামে জুয়া নিষিদ্ধ। এটা জায়েজ করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ।

গতকাল সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পাহাড়তলী আমান বাজার আইএস কনভেনশন হলে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতিবিরোধী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কেউ যদি বলেন, ক্লাব চালানোর জন্য জুয়ার আসর প্রয়োজন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ক্লাব করি নির্মল বিনোদনের জন্য। এর জন্য শক্তিশালী মাধ্যম ক্রীড়াঙ্গন। এটি পবিত্র অঙ্গন। এটিকে অপবিত্র করার অধিকার কারও নেই। নিজের সামর্থ্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের থেকে নিয়ে ক্লাব পরিচালনা করবো।’

মেয়র বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রিয় ভ্রাতা শেখ কামাল যিনি অনেক বড় ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন, উনার নাম ব্যবহার করে জুয়ার আসর বসিয়ে ক্লাব চালাবে-এটার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এখানে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। যারা জুয়ার বোর্ড বসাবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি পানও খাই না, সিগারেটও খাই না। আমার বগলের নিচে গন্ধ নেই। বুকে সাহস আছে। আমিও ক্লাব চালাই ১৯৮৫ থেকে। আমি চট্টগ্রাম ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, এখন দীর্ঘদিন যাবৎ সভাপতি। এ ক্লাব অনেকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আমি ক্লাবঘর করছি না। কারণ ক্লাবঘর করলে কেউ না কেউ অবৈধ কাজ করবে। আমাদের ক্লাব এ ধরনের ফালতু কাজের সঙ্গে জড়িত নয়।’

ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌফিক আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আকতার, যুগ্ম জেলা জজ জাহানারা ফেরদৌস, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিদর্শক তপন কান্তি শর্মা, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এসএম সোহেল প্রমুখ।

আরো সংবাদ

তারেক রহমানকে মাসে এক কোটি টাকা দিতো যুবলীগ নেতা শামীম : দাবি তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের

গ্রেপ্তার হওয়া যুবলীগের সমবায় সম্পাদক নেতা জি কে শামীম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রতি মাসে এক কোটি টাকা দিতো বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপির অনেক নেতাকেও সে (শামীম) পয়সা দিতো।

ড. হাছান মাহমুদ আরো বলেন, এই ক্যাসিনো কালচার যারা শুরু করেছিলেন তারাও নিয়মিত টাকার ভাগ পেতো। কে কোন দলের বা মতের সেটি না দেখে প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থা নিয়েছেন।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেন, চলমান অভিযান আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নয়। আওয়ামী লীগ স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন একটি দল। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, চলমান অভিযানে নামকরা যে সাত জনের নাম বেরিয়ে এসেছে তাদের মধ্যে ছয় জনই অনুপ্রবেশকারী। এরা আওয়ামী লীগের নয়। এরা মির্জা আব্বাস-খোকার সৃষ্টি।

সূত্র : সময় টিভি