আসল হ’ত্যাকারীকেই আসামির তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে : আবরারের বাবা

0

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে যার নেতৃত্বে টর্চার করা হয়েছে তাকেই আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ।

সেই সাথে তার ছেলে হ’ত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বুয়েট কর্তৃপক্ষের নেয়া ভূমিকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বুধবার (১০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে আবরার ফাহাদ স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। আবরার ফাহাদের সহপাঠী ও জিলা স্কুল কর্তৃপক্ষ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তিনি আরো বলেছেন, সিসি ফুটেজে যাদের দেখা গেছে মামলায় তাদের অনেকেই বাদ দেয়া হয়েছে। বাদ পড়াদের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানান তিনি।

আরো সংবাদ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।তিন মামলায় তার বিরুদ্ধে বুধবার এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান রহিবুল ইসলাম।

নিজের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতের অভিযোগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করা হয়।

এদিন তিন মামলায় সমনের জবাব দেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ড. ইউনূস আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।মামলার অপর দুই আসামি হলেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন।

ড. ইউনূসের আইনজীবী রাজু আহম্মেদ আদালতকে বলেন, ড. ইউনূস সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি ব্যবসার কাজে বিদেশ অবস্থান করছেন। তিনি দেশে আসলে আদালতে উপস্থিত হবেন।

মামলার বাদী প্রস্তাবিত গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিষ্ঠানে ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতের করায় আমরা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করি। তিনি আজ (বুধবার) আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

অপরদিকে মামলার অপর দুই আসামি গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সদ্য চাকরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মচারীর। আদালত ৮ অক্টোবর তাদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন