খাদ্য তালিকা থেকে পেঁয়াজ বাদ দিতে আওয়ামী লীগ নেতার কর্মসূচি !

0

খাতুনগঞ্জের হামিদউল্লাহ বাজারে কর্মসূচি খাদ্য তালিকা থেকে পেঁয়াজ বাদ দিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন চট্টগ্রামের নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

রোববার দুপুরে নগরীর পাইকারি ব্যবসা কেন্দ্র খাতুনগঞ্জের হামিদউল্লাহ বাজারে ‘পেঁয়াজ ন খাইয়্যুম, পিঁয়াজ ন কিন্যুম’ (পেঁয়াজ খাবো না, পেঁয়াজ কিনবো না) শীর্ষক গণপ্রচারণা কর্মসূচি উদ্বোধন করেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক তিনি বলেন, ‘আপনারা নিত্য ব্যবহার্য উপাদান থেকে এক সপ্তাহের জন্য পেঁয়াজকে বাদ রাখুন।

দেখবেন স্বাভাবিকভাবেই পেঁয়াজের দাম জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে। খোরশেদ আলম সুজন বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা যখনই বাজারে অভিযান পরিচালনা করে তখনই কেবল দাম ক্ষণিকের জন্য কমে। তারা চলে গেলে পুনরায় সিন্ডিকেট মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আমরা জানতে পেরেছি, বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের কোনও সংকট নেই।

তারপরও একশ্রেণির অর্থলিপ্সু ব্যবসায়ী অহেতুক সিন্ডিকেট কারসাজি করে কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে জনগণের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাজী মো. ইলিয়াছ, অধ্যক্ষ সুকুমার দত্ত, আবদুর রহমান, সাইদুর রহমান চৌধুরী,

মো. নিজাম, খাতুনগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী জাহাঙ্গীর আলম, নগর সৈনিক লীগ আহ্বায়ক শফিউল আজম বাহার, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সদস্য নুরুল কবির, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুর রহমান লিমন, জানে আলম।

আফ্রিকায় প্রথম আজান হওয়া ঐতিহাসিক উকবা মসজিদ

আফ্রিকা মহাদেশের একেবারে উত্তরে ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী ছোট্ট দেশ তিউনিসিয়া। দেশটির উপকুলে ইসলামের আলো ছড়ানো মসজিদ কাইরুয়ান। যে মসজিদ থেকে আফ্রিকা মহাদেশে প্রথম আজান শুরু হয়। ইসলামের আগমন বার্তা প্রচারিত হতে থাকে সমুদ্র তীরবর্তী এ মসজিদ থেকে। ৫০ হিজরি সালে নির্মিত হয় এ মসজিদ।

সে হিসেবে মসজিদটি প্রায় হাজার বছরের পুরোনো। আফ্রিকা মহাদেশের এ প্রাচীন মসজিদটি স্থাপন করেন হজরত উকবা বিন নাফি রাহমাতুল্লাহি। ইসলামের অন্যতম খলিফা হজরত আমীর মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর সেরা সামরিক কমান্ডার এ উকবা বিন নাফি। তিনিই ৯ হাজার বর্গমিটার জায়গাজুড়ে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন।

আর এ মসজিদ থেকেই আফ্রিকা মহাদেশে সর্বপ্রথম আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়। তিউনিসিয়া দেশটি ছোট্ট হলেও এর প্রায় সব নাগরিকই মুসলিম। দেশটি ১৮৮১ সাল থেকে ফ্রান্সের অধীন ছিল। দীর্ঘদিন পর ১৯৫৬ সালে দেশটি ফ্রান্সের উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেন। বর্তমানে দেশটির রাষ্ট্রধর্মও ইসলাম।

আফ্রিকা মহাদেশের মুসলিম অধ্যুষিত ছোট্ট দেশটি বিভিন্ন কারণে পর্যটকদের জন্য জনপ্রিয় দর্শণীয় স্থান। তিউনিসিয়ার আবহাওয়া চমৎকার। সমুদ্র তীরবর্তী দেশটির রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া ও নয়নজুড়ানো বেলাভূমিই পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এ মসজিদটি স্থানীয় শহরের নামেই পরিচিত। কাইরুয়ান শহরের এ মসজিদটি স্থানীয় নাম ছাড়াও উকবা জামে মসজিদ নামেও পরিচিতি।

আফ্রিকা মহাদেশে এ মসজিদ থেকে প্রথম আজান দেয়ার কারণে ইসলামের ইতিহাসেও এ মসজিদের গুরুত্ব অপরিসীম। বাহির থেকে দেখতে মসজিদটিকে একটি শক্তিশালী দুর্গ মনে হয়। ৫ গম্বুজ ও ৯ প্রবেশ গেটে নির্মাণ করা হয়েছে এ মসজিদ। মসজিদের মেহরাবের কাছে ছোট নিচু ছাদ বিশিষ্ট ‘মাকসুরা’ নামে একটি কক্ষও রয়েছে।