দুবাই আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছেন হাফেজ মুয়াজ

দুবাই অ্যাওয়ার্ড খ্যাত ২৩তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০১৯ এ অংশ নিতে দুবাই যাচ্ছেন বাংলাদেশের হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ।

পবিত্র রমজানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ২য় রমজানে শুরু হয়ে এ প্রতিযোগিতা চলবে ১৪ রমজান পর্যন্ত। ১৪ রমজান প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে।

আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন রাজধানীর মিরপুরস্থ প্রতিষ্ঠান মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী ঢাকার ছাত্র হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ।

এর আগে প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে দেশের মেধাবী ৩২৭ জন হাফেজে কোরআন অংশগ্রহণ করেন। এরমধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে মুয়াজ মাহমুদ এ প্রতিযোগিতার একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোমবার সন্ধ্যার ফ্লাইটে হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ এবং তার শিক্ষক আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুবাইয়ের উদ্দেশে রওয়ানা হবেন।

মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামী ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজি মাসুম দুবাইতে অনুষ্ঠিতব্য এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় হাফেজ মুয়াজের সফলতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

“রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন” স্লোগানে ছাত্রলীগের স্বাগত মিছিল

নগরীর লাল দীঘি শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউমার্কেট চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের উদ্যোগে এক স্বাগত মিছিল বের করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি একরামুল হক রাসেল, নাজমুল হাসান রুমি, নোমান চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি মির্জা, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, ইরফানুল আলম জিকু,

ক্রীড়া সম্পাদক আবু তারেক রনি, উপ-সম্পাদক আবু হানিফ রিয়াদ, কাজী মাহমুদুল হাসান রনি, শাহরিয়ার হাসান, আবুল মনসুর টিটু, সহ-সম্পাদক কায়সার মাহমুদ রাজু, সদস্য মাহমুদুর রশিদ বাবু,

মোশরাফুল হক চৌধুরী পাভেল, শেখর দাশ, ফয়সাল অভি, আরাফাত রুবেল, মিজানুর রহমান মিজান, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল হক, সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ,

ওমরগণি এম.ই.এস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রিটন, এম হাসান আলী, রাকিব হায়দার, শাহাদাত হোসেন হিরা, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আকবর হোসেন রাজন, নাবিল রিটন,

শুভ ঘোষ, সাইফুল্লাহ সাইফ, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আবু কায়সার তুষার, ইবনে জামান ডায়মন্ড, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কাজী নাঈম, আনোয়ার পলাশ, মিজানুর রহমান,

রূপম সরকার, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা অনিক চৌধুরী সোহেল, বিশ্বজিত শর্মা, জাহিদ হাসান, আব্দুল্লাহ আল সায়মুন সহ বিভিন্ন কলেজ, ওয়ার্ড, থানা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, অধিক মুনাফার আশায় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করবেন না। এবং মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে সকলের সজাগ থাকব। রমজানের ইফতার ও সেহেরীতে খাবার অপচয় রোধ করে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার দুস্থ শ্রেণির মানুষের মাঝে বন্টন করুন।

গাজায় অতর্কিত ইসরাইলি হামলা, হামাস কমান্ডারসহ নিহত ২০

নিহতদের মধ্যে হামাসের কমান্ডার হামাদ আহমদ আল-খোদারিও রয়েছেন। বিমান হামলায় তার গাড়ি বিস্ফোরিত হয়। ৫ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো হামাস নেতাকে এভাবে টার্গেট করা হলো।

গাজায় প্রচণ্ড ইসরাইলি বিমান ও স্থল হামলায় দুই অন্তসত্ত্বা নারী, দুই শিশু ও এক হামাস কমান্ডারসহ অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে। ২০১৪ সালের ভয়াবহ যুদ্ধের পর এটাই সবচেযে রক্তাক্ত হামলা।

তারা হলেন আবু আরমানাহ, ৩০, ও মোহাম্মদ আবু আরমানাহ, ২৭। ইসরাইল জানিয়েছে, শনিবার থেকে হামাস ও ইসলামিক জিহাদ ৪৫০ বারের বেশি রকেট ও মর্টার হামলা চালিয়েছে ইসরাইলে।

ইসরাইলি সূত্র জানিয়েছে, মানি চেঞ্জার হামাদ আহমদ গাজায় ইরানি তহবিল হস্তান্তর ও ইরান থেকে অস্ত্র আনার সাথে জড়িত ছিলেন।
মধ্য গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় ইসলামিক জিহাদ গ্রুপের দুই সদস্যও নিহত হয়েছে।

এগুলোর মধ্যে ১৫০টির বেশি তারা ভূপাতিত করেছে। রকেট ও মর্টার হামলায় অন্তত চার ইসরাইলি নিহত হয়েছে। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম ইসরাইলি বেসামরিক লোকজন হতাহত হলো।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহত শিশুটির নাম সাবা আরার। তাদের ভবনটি হানাদার বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হলে মর্মান্তিক এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তবে দখলদার বাহিনীর দাবি,

তারা শুধু সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এ হামলা চালিয়েছে। গাজা উপত্যকায় তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির সদর দফতর ভবনকেও বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে ইসরাইল।

ইসরাইলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলো এক দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে গাজা কর্তৃপক্ষ। ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে গাজায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই পক্ষের মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ লড়াই।

ইসরাইলের দাবি, ফিলিস্তিনিরা শনিবার থেকে কমপক্ষে ৪৩০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে তাদের ভূখণ্ডে। এর বেশির ভাগই মাঝ আকাশে বিকল করে দেয়া হয়েছে। তবে এতে নিহত হয়েছে একজন।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী বলেছে, জবাবে তারা গাজা উপত্যকায় প্রায় ২০০ স্থানে টার্গেট করেছে। গত মাসে উভয়পক্ষ একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এখানে একটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি করানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মিসর ও যুক্তরাষ্ট্র।

সর্বশেষ এই উত্তেজনা শুরু হয় গত শুক্রবার। গাজায় অবরোধের বিরুদ্ধে এদিন বিক্ষোভ করেন ফিলিস্তিনিরা। ইসরাইলের দাবি, ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের কাছে অস্ত্র যাওয়া বন্ধ করার জন্য ওই অবরোধ দেয়া হয়েছে।

বিক্ষোভের সময় অস্ত্রধারী এক ফিলিস্তিনি সীমান্ত দেয়ালের কাছে দুই ইসরাইলি সেনাকে গুলি করে আহত করে। জবাবে ইসরাইল বিমান হামলা চালায়। এতে দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন। এরপরই শনিবার সকালে গাজা থেকে রকেট ছোড়া শুরু হয় বলে দাবি ইসরাইলের।

তাদের দাবি অনুযায়ী, ইসরাইলের আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কয়েক ডজন রকেট ভূপাতিত করা হয়। তবে ইসরাইলের বিভিন্ন শহরে ও গ্রামে কিছু বাড়িতে তা আঘাত করে।

রোববার আশকেলন এলাকায় একজন ইসরাইলি নিহত হন। তিনি বাড়িতে শার্পনেলের আঘাতে আহত হয়েছিলেন। ইসরাইল বলছে, তারা শনি ও রোববার হামাস ও ইসলামিক জিহাদের সাথে যুক্ত দুই ফিলিস্তিনিকে বিমান হামলায় হত্যা করেছে।

তবে গাজার নিয়ন্ত্রণে থাকা হামাস জানিয়েছে, দুইজন নয়, নিহত হয়েছেন চার ফিলিস্তিনি। এর মধ্যে রয়েছেন একজন নারী ও তার ১৪ মাস বয়সী একটি মেয়ে। কিন্তু ইসরাইলের দাবি, ফিলিস্তিনিদের ছোড়া রকেটের আঘাতে ওই নারী ও তার মেয়ে মারা গেছে।

শনিবার রাতে গাজার সীমান্তবর্তী ইসরাইলি এলাকাগুলোতে বারবার রকেট হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। এতে ওই এলাকার ইসরাইলিদের রাতভর আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে যাওয়া-আসার মধ্যে থাকতে হয়।

এ সময় ইসরাইলি রকেট প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে আকাশে ফিলিস্তিনি রকেট নিষ্ক্রিয় করতে দেখা যায়। ইসরাইলি পুলিশ জানিয়েছে, গাজা থেকে ছোড়া রকেটগুলোর একটি আশকেলন শহরের একটি বাড়িতে আঘাত হেনেছে, এতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

অপরদিকে ইসরাইলি বোমাবর্ষণে গাজার ভবনগুলো কেঁপে কেঁপে উঠেছে এবং ফিলিস্তিনিরা পালিয়ে আড়াল নিতে বাধ্য হয়েছে বল জানিয়েছেন স্থানীয়রা। রোববার ভোরের আগে তাদের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন ইসলামী জিহাদ।

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে