কাতারে কুরআন প্রতিযোগিতায় ৪০০ জনকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশী হেদায়েত উল্লাহ প্রথম

কাতারে অনুষ্ঠিত হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী হাফেজ হেদায়েত উল্লাহর প্রথম স্থান অর্জন করেছে।কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয় এর অধিনে আয়োজিত দারুস সালাম হিফজুল কুরআন-

প্রতিযোগীতায় ১ম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশের এই ক্ষুদে হাফেজ হেদায়েত উল্লাহ।হাফেজ হেদায়েত উল্লাহ দেশের খ্যাতিমান ক্বারী হাফেজ নাজমুল হাসান প্রতিষ্ঠিত ঢাকা যাত্রাড়ীস্থ তাহফিজুল কুরআন ওয়াস্ সুন্নাহ মাদরাসার ছাত্র।

কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয় এর অধিনে আয়োজিত দারুস সালাম কুরআন প্রতিযোগিতা প্রায় ৪০০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। ২ জুন স্থানীয় সময় রাত ৭টায় কাতারের দোহায় মসজিদে দারুস সালামে কাতারে শায়খ ডক্টর মুওয়াফী আজাব তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

হেদায়েত উল্লাহর হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে গত মে মাসের প্রথম দিকে দোহা যায়। সেখানে ৪০০ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ১ম স্থান অর্জন করে সে।

হেদায়েত উল্লাহ কুমিল্লার মুরাদনগরের হাফেজ মাওলানা হেমায়েত উল্লাহর সন্তান, যিনি কাতারের একটি মসজিদে ইমাম

আরো পড়ুন: যথাযোগ্য মর্যাদায়‘মে দিবস’ পালনের আহবান জামায়াতের!

১লা মে “আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার দিবস” তথা ‘মে দিবস’ হিসেবে পালনের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর জনাব মকবুল আহমাদ আজ ২৯ এপ্রিল ২০১৯ নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেনঃ-

“আগামী ১লা মে ‘মে দিবস’। ১৮৮৬ সালের ১লা মে আমেরিকার শিকাগো শহরে শ্রমিক সমাজ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল।

বিশ্বের শ্রমিক সমাজ তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে আসছে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সে আন্দোলন আজও পুরোপুরি সফলতা পায়নি।

এ কথা আজ অত্যন্ত স্পষ্ট যে, মানব রচিত কোন মতবাদই মানুষের সমস্যার সঠিক ও সার্বিক সমাধান দিতে সক্ষম নয়। ‘শ্রমিকদের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করার জন্য’

রাসূলে করীম হযরত মুহাম্মদ (সা.) জোর তাগিদ দিয়েছেন। শ্রমিকদের মর্যাদা রক্ষার জন্যে রাসূলে করীম (সা.)-এর তাগিদ বাস্তবায়নের মধ্যেই মালিক এবং শ্রমিক উভয়ের জন্যই প্রকৃত কল্যাণ নিহিত রয়েছে।

বর্তমানে শ্রমিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে অনেক ক্ষেত্রেই বঞ্চিত। কল-কারখানা ও উৎপাদন সেক্টরগুলোতে মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্ব এক ভয়াবহ রূপ লাভ করেছে। মাঝে মাঝেই শ্রমিকরা শোষণ,

জুলুম ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাস্তায় প্রতিবাদ জানালেও তাদের ন্যায্য অধিকার এখনো নিশ্চিত হয়নি। আমরা মনে করি, ইসলামী শ্রমনীতি চালু করার মাধ্যমেই শ্রমিক সমাজের প্রকৃত মুক্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত হতে পারে এবং মালিকদের স্বার্থও সংরক্ষিত হতে পারে।

আমি যথাযোগ্য মর্যাদায় আগামী ১লা মে ‘আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার দিবস’ তথা ‘মে দিবস’ হিসেবে পালন করার জন্য দেশের সকল শ্রমজীবী মানুষ ও সর্বস্তরের জনতার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

আরো সংবাদ পরতে পারেন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে