ছাত্রী কে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে ডুবে প্রাণ হারালো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক!

0

নাটোরের হালতি বিলে নৌকা ভ্রমণের সময় পানিতে পড়ে যাওয়া ছাত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক মোখলেছুর রহমানের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর ইউএনবি’র। নিখোঁজের দুদিন পর শনিবার সকালে ঘটনাস্থল খোলাবাড়িয়া এলাকা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে তার লাশ ভেসে উঠে।

পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাশটি উদ্ধার করে। নিহত মোখলেছুর রাজশাহী নর্থবেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিজনেস স্টাডিজের শিক্ষক ছিলেন। নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর রহমান জানান,

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী হালতি বিলে নৌকা ভ্রমণে যান। এ সময় খোলাবাড়িয়া এলাকায় ঢেউয়ের ধাক্কায় প্রাপ্তি সাহা নামে এক শিক্ষার্থী পানিতে পড়ে গেলে তাকে বাঁচাতে গিয়ে তলিয়ে যান মোখলেছুর।

পরে নৌকার মাঝি প্রাপ্তিকে উদ্ধার করতে পারলেও নিখোঁজ হন ওই শিক্ষক।

শিশুদের নামাজি বানাতে মসজিদেই শিশুপার্ক তৈরি ইমামের

শিশুদের নামাজ ও কুরআন শিক্ষার প্রতি আকৃষ্ট করতে মসজিদের সঙ্গেই ছোটখাটো একটি শিশুপার্ক গড়ে তুলেছেন তুরস্কের কোকেলি প্রদেশের বাসিসকেলে জেলার একটি মসজিদের ইমাম। এ ঘটনায় দেশটিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ডেইলি সাবাহর বরাতে জানা যায়, গ্রীষ্মকালীন কুুরআন ক্লাসে শিশুদের কম উপস্থিতি দেখে চিন্তিত হয়ে পড়েন শহরের মারকেজ মসজিদের ইমাম মাওলানা কাদির সেলেকিজ। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নামাজ ও কুরআন ক্লাসের প্রতি আকৃষ্ট করতে মসজিদের সঙ্গে নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলেন একটি মিনি শিশুপার্ক।

ইমামের এমন উদ্যোগে এলাকায় সাড়া ফেলে। কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ থাকায় মসজিদে শিশুদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। ১০ বছর ধরে মসজিদটিতে ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন কাদির সেলেকিজ। এ শিশুপার্কটি গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সহায়তা নেন।

আরো জানা যায়, প্রতি সোমবার ক্লাস শেষে শিশুদের জন্য ইসলামি নাটকও পরিবেশিত হয় এখানে। শিশুদের পপকর্ন এবং চকলেটও উপহার দেওয়া হয়। ইমামের এমন প্রশংসিত উদ্যোগে মসজিদটিতে শিশুদের সংখ্যা এক বছরেই ৩০ জন থেকে ১৫০ জনে উঠে আসে।

পরবর্তী বছরের জন্য রেকর্ডসংখ্যক ২৫০ জন শিশুর নাম রেজিস্ট্রেশন হয়। কাদির সেলেকিজ বলেন, আমাদের শিশুকালে আমরা মসজিদে খেলতাম আর বড়রা নামাজ পড়ত। অনেক সময় তারা আমাদের বকাবকি করত। সে সময় এটি আমাকে আহত করত।

পরবর্তীতে আমার যখন সুযোগ আসল, তখন আমি উদ্যোগ নিলাম শিশুদের খেলাধুলার মাধ্যমে মসজিদের প্রতি আকৃষ্ট করে তুলতে। বাড়ি থেকে মসজিদ দূরে হয়ে যাওয়ায় নিয়মিত নামাজে এবং ক্লাসে আসত না অনেক শিশু। তবে খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পর অনেকেই এখন আগ্রহী হওয়া শুরু করেছে বলে তিনি জানান।