নারীবাদীরা যত খুশি বলুক, আমার মেয়েদের ক্রিকেটার বানাব না: আফ্রিদি

ব্যক্তিগত জীবনে চার কন্যা সন্তানের জনক আফ্রিদি। ক্রিকেটারের মেয়েরা বড় হয়ে ক্রিকেটার হবে কি না এমন প্রশ্ন তাকে প্রায়শই শুনতে হয়েছে সাংবাদিক বা সমর্থকদের কাছ থেকে। আত্মজীবনীতে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বুমবুম আফ্রিদি।

পাকিস্তানের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদির আত্মজীবনী ‘গেম চেঞ্জার’ প্রকাশের পরই হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে। বইটিতে বিভিন্ন বিষয়ে সোজাসাপটা কথা বলে অনেকের সমালোচনা সইতে হয়েছে আবার অনেকের প্রশংসা ও পেয়েছেন তিনি।

পেয়েছেন সমর্থকদের সাধুবাদ। খেলোয়াড়ি জীবনের পাশাপাশি পারিবারিক জীবন নিয়েও বইতে কথা বলেছেন ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডধারী এই অলরাউন্ডার।

কোন অজুহাত বা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে করে সোজা ব্যাটে জবাব দিয়েছেন ‘না’। অনেক দিন ধরেই বাউন্সার হয়ে আসা এই প্রশ্নটিকে সোজা পুল করে সীমানার বাইরে আছড়ে ফেলেছেন।

শহীদ আফ্রিদি বলেছেন, তার মেয়েদের ক্রিকেট খেলতে দেবেন না। কারণটা ধর্মীয় ও সামাজিক। আফ্রিদি লিখেছেন, ‘(তিন কন্যার মধ্যে) আকসা দশম ও আনশা নবম শ্রেণিতে পড়ছে। তারা খেলাধূলা ও পড়াশুনায় খুবই ভালো করছে।

ছোট দুই মেয়ে আজওয়া ও আসমারা সুন্দর পোশাক পরতে পছন্দ করে।’ এরপরই আফ্রিদি লিখেছেন, ‘যে কোন খেলার অনুমতি আছে তাদের, তবে সেটা শুধুই ইনডোরে। ক্রিকেট? না সেটা আমার কন্যাদের জন্য নয়।

চাইলে সব ইনডোর গেমসের অনুমতি আছে তাদের; কিন্তু লোকজনের সামনে মাঠে খেলতে দেব না আমার কন্যাদের’। এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে শহীদ আফ্রিদি লিখেছেন, ‘সামাজিক ও ধর্মী কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মেয়েদের মা আমার সাথে একমত। নারীবাদীরা যা খুশি বলুক, একজন রক্ষণশীল পাকিস্তানি বাবা হিসেব আমি আমর সিদ্ধান্ত নিয়েছি’।

সেহরির সময় লোকজনকে জাগাতে যুদ্ধবিমান ওড়াবে ইন্দোনেশিয়ার বিমান বাহিনী

পৃথকভাবে বিমান বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল সাস এম. ইউরিস জানিয়েছেন, শুধু ঐতিহ্যের কারণেই এটি করা হবে এমন নয়, রোজ রেখে বিমান বাহিনীর সদস্যদের যেন প্রশিক্ষণ নিতে না হয় তা নিশ্চিত করতেই এটি করা হবে।

মেডিকেল বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানের সময় যুদ্ধবিমানের পাইলটদের ফ্লাই করার সঠিক সময় ভোররাত। সকাল ১০টার পর রোজাদারদের ব্লাড সুগার লেভেল দ্রুত নেমে যেতে থাকায় ওই সময়ের পর প্রশিক্ষণ না করানোর পরামর্শ তাদের।

“ব্লাড সুগার লেভেল কম থাকাকালে যুদ্ধবিমানের পাইলটদের বিমান না চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়,” কম্পাস ডটকমের দেওয়া উদ্ধৃতিতে এমনটাই বলেছেন সাস।

প্রশিক্ষণের সময় সেহরির জন্য লোকজনকে জাগানো ‘কম্বাইন্ড মিশনের’ অংশ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রমজান মাসে সেহরির জন্য লোকজনকে ঘুম থেকে জাগানোর প্রচলিত ঐতিহ্যের সঙ্গে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার বিমান বাহিনী।

নিজেদের টুইটার একাউন্টে তারা জানিয়েছে, ভোররাতে সেহরির সময় হলে তারা জাভা দ্বীপের কয়েকটি শহরের আকাশে যুদ্ধবিমানের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করবে।

এই শহরগুলো হলো সুরাবায়া, সুরাকার্তা, ক্লাতেন, স্রাগেন ও ইয়োগিয়াকার্তা; খবর দ্য জাকার্তা পোস্টের।

“আল্লাহ সহায় হলে আমরা সেহরির সময় যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে লোকজনকে জাগানোর ঐতিহ্যে অংশ নিবো,” টুইটে বলেছে তারা।

সেহরির সময় নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া যুদ্ধবিমানগুলো একপর্যায়ে আকাশের উঁচুতে উঠে যাবে এবং এ সময় পাইলটরা জেট ইঞ্জিনের গতি বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত বার্নার ব্যবহার করবে, তাতে প্রচণ্ড শব্দ হবে।

কয়েক বছর আগে ইন্দোনেশিয়ার বিমান বাহিনী ভোররাতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শুরু করেছিল। তখন প্রধানত এফ-১৬ ও টি৫০আই, এই দুটি বিমান ব্যবহৃত হয়েছিল।

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে