প্রায় ১ লক্ষ দরিদ্র শিশুর দায়িত্ব ভার নিলেন নেইমার!

সংখ্যাটা ৯২ হাজার! ব্রাজিলের এক সাংবাদিক একবার বলেছিলেন, “Neymar Jr, arguably the best footballer in the world right now with a heart the size to match his on field prowess!নেইমার ইন্সটিটিউট এখন চার বছর পূর্ণ করেছে। আশা কতি এগিয়ে যাক নেইমার, বহুদূর যাক নেইমারের Instituto Neymar Jr!

একদম পাড়ার রাস্তায় ফুটবল খেলে, অভাব অনটনের সাথে সংগ্রাম করে, জীবন যুদ্ধে অনেক লড়াই করে আজকের এই নেইমার। ব্রাজিলিয়ান সুপার স্টার নেইমার জুনিয়র।

জীবন যুদ্ধে সফল একজন নেইমার চাইলেন, যেই সাও পাওলোর আলো বাতাস পথঘাট মানুষজন তাকে এই পর্যন্ত নিয়ে আসতে সাহায্য করেছে, সেই সাও পাওলোর তথা ব্রাজিলের জন্যে কিছু করতে, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্যে কিছু করতে!

তিনি তার এই চিন্তাভাবনার নাম দিলেন ‘Giving Back’! নেইমারেরর এই ‘Giving back’ অনুভূতি থেকেই ২০১৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করলেন, Instituto Neymar Jr নামক একটি চ্যারেটিবল অর্গানাইজেশন।

এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান অর্থযোগান দাতা স্বয়ং নেইমার, এবং এটির প্রধান স্পন্সরশীপ ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন। বর্তমানে Instituto Neymar Jr এর ১২০ টি অফিসের অধীনে ৯২ হাজার শিশু সহায়তা পাচ্ছে পুরো ব্রাজিল জুড়ে।

এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য, সাও পাওলো সহ ব্রাজিলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়ালেখা চালানোর পাশাপাশি, তাদের বিভিন্ন খেলাধুলায় পারদর্শী করে তোলা এবং পাঠ্যবইয়ের বাহিরে নানান বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা।

একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি তাদেরকে ইংরেজিতে বিশেষ দক্ষ, সংগীত ও নৃত্য শিক্ষা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা, বিভিন্ন কারিগরি ও সামাজিক উন্নয়নমুলক শিক্ষায় শিক্ষিত করা হচ্ছে।

এছাড়া ফুটবলের পাশাপাশি ভলিবল, বিচ ভলিবল, সাতার, জুডো, দাবা, বাস্কেটবল, ফুটসাল, বডিবিল্ডিংয়ে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে।

এখন তো পয়সা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, এমনকি আদালতও কেনা যায়: নাসিম

আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই সামাজিক অপরাধগুলো বন্ধ করার জন্য দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ব্যবস্থা করুন।

বাইরের দেশগুলোতে দেখুন, তারা প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার করে। তাই তাদের অপরাধগুলো কমে আসে।’ আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনদিনও জনগণের দ্বারা ক্ষমতাচ্যুত হয় নাই।

আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র দ্বারা ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে অথবা ক্ষমতায় আসতে পারে নাই। আজ যিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, তিনি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম একজন খলনায়ক।

অনেক লড়াই সংগ্রাম করে আজ বঙ্গবন্ধু কন্যাকে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করতে হয়েছে।’ বিএনপি এখন ছিন্নভিন্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহর রহমতে জনগণের সমর্থনে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আছি।

মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চক্রান্ত যখন ব্যর্থ হয়, তখন গভীর ষড়যন্ত্র চলে। আজ আমরা আশ্বস্ত হতাম যদি বিএনপি বিরোধী দল হিসেবে থাকতো। ভয় ওখানে, বিএনপি এখন ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।

তার জোট ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।’ আলোচনা সভায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক অভিনেত্রী সাহারা কবরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৪ দলের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘এই দেশে পয়সা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কেনা যায়, আইনজীবী কেনা যায়, এমনকি আদালত পর্যন্ত কেনা যায়।

তাই বলতে চাই, ধর্ষণের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল করে দ্রুত বিচার করুন। তাহলে দেখবেন, এসব অপরাধ কমে গেছে। বিএনপি-জামায়াতের চেয়েও ভয়ঙ্কর এসব অপরাধী।’

বুধবার (১৫ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, শিশু হত্যা নিয়ে নাসিম বলেন, ‘প্রতিদিন দেখছি নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, শিশু হত্যা এসব আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে। সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে, তখন কেন কী কারণে সিরিজের মতো করে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে? এ ঘটনার ক্রিমিনালরা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে?’

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন

মতামত দেওয়া বন্ধ আছে